দুই ভাইয়ের সংসার ভেঙে যাওয়ায় ঘটককে খুন!

Online Desk Aminul Online Desk Aminul
প্রকাশিত: ০৭:১২ পিএম, ১৮ অক্টোবর ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার: ভ্যান চালক জব্বার সাকিদার (৩৫) তিনটি বিয়ে করলেও একটিও টিকেনি। বিয়ের বছর না ঘুরতেই সংসার ভেঙে যায়। একইভাবে ছোট ভাই মজিদ সাকিদারের সংসারও ভেঙে যায় কিছুদিন আগে। একের পর এক সংসার ভাঙার পিছনে ঘটক জামাল সাকিদারের (৫২) হাত রযেছে বলে তাদের সন্দেহ হয়। আর এই সন্দেহ থেকেই দুই ভাই পরিকল্পনা করে ঘটক জামাল সাকিদারকে খুন করে।
সোমবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জব্বার ও মজিদ দুই ভাই এমন তথ্য তুলে ধরেছে।
গ্রেফতারকৃত জব্বার ও মজিদ বগুড়ার গাবতলী থানার ধোড়া পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত কালু সাকিদারের ছেলে।
নিহত জামাল সাকিদার একই গ্রামের মৃত সদের সাকিদারের ছেলে। তিনি এলাকায় লেবার সর্দারি ছাড়াও ঘটক পেশার সাথে জড়িত।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জামাল সাকিদার গ্রেফতারকৃত জব্বার সাকিদারের অটোভ্যান যোগে পেরীর হাট থেকে বাড়ি ফিরছিল। সন্ধ্যা ৭টার দিকে সোলাকুরিয়া ভাঙা ব্রিজের কাছে চালক জব্বার ভ্যান থামায়। সময় ভ্যানে থাকা ৩-৪ জন যাত্রী জামাল সাকিদারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেটে ও মাথায় আঘাত করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ অক্টোবর জামাল সাকিদার মারা যান। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর জামাল সাকিদারের ছেলে রুবেল সাকিদার অজ্ঞাত আসামিদের নামে গাবতলী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
এদিকে ক্লুলেস মামলা নিয়ে কাজ শুরু করে গাবতলী মডেল থানা ও বাগবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একাধিক টিম। গুপ্তচর নিয়োগের পাশাপাশি তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৭ অক্টোবর পুলিশ দুই ভাই জব্বার সাকিদার ও মজিদ সাকিদারকে গ্রেফতার করে।
গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত দুই ভাই জানায় যে, তাদের সন্দেহ একের পর এক সংসার ভেঙে যাওয়ার পিছনে জামাল সাকিদারের হাত রয়েছে। আর একারণেই তারা দুই ভাই পরিকল্পনা করে আরও কয়েকজনের সহযোগিতায় জামাল সাকিদারকে খুন করে।


আরও পড়ুন