বগুড়ায় বন্ধ হওয়া হোমিও ল্যাবরেটরিতে ফের অ্যালকোহল ব্যবসা

BoguraProdip BoguraProdip
প্রকাশিত: ০৯:৪৭ পিএম, ০৯ মে ২০২১

বগুড়ায় বন্ধ থাকা পারুল হোমিও ল্যাবরেটরির ভেতরে র‌্যাবের অভিযানে ৩ হাজার লিটার অ্যালকোহল পাওয়া গেছে। কীভাবে, কারা সেখানে এই অ্যালকোহল আনলো সেটি জানে না কর্তৃপক্ষ ও আশপাশের লোকজন।

তবে অভিযানে অ্যালকোহল পাওয়ায় কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় হোমিও হলের মধ্যেই ৩ হাজার লিটার অ্যালকোহল ধ্বংস করা হয়। একইসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রতিষ্ঠানটির মালিক নুরন্নবীকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

রোববার (৯ মে) সকালে র‌্যাব-১২ এর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এরআগে, শনিবার (৮ মে) দিনব্যাপী চলা অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‌্যাব-১২ বগুড়া কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আফজাল রাজন। এ সময় ওষুধ প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং র‌্যাব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বগুড়া ক্যাম্প গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে জানতে পারে, বগুড়া জেলার সদর থানা এলাকায় অবৈধ পারুল হোমিও ল্যাবরেটরিতে অ্যালকোহল ব্যবহার করে ওষুধ তৈরি করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে।

এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত ওষুধ আইন ১৯৪০ এর ২৭ ধারা ভঙ্গের অপরাধে পারুল হোমিও ল্যাবরেটরির মালিক নুরন্নবীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

র‌্যাব-১২ বগুড়া কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘অভিযানে পারুল হোমিও হলের গোপন কক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের ৮৪৫০ বোতলে ১৫০০ লিটার অ্যালকোহল, মাদার টিংচার দ্রবণ ১৫০০ লিটারসহ সর্বমোট ৩ হাজার লিটার অ্যালকোহল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতে ওই অ্যালকোহল ধ্বংস করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জানুয়ারি রাতে পারুল হোমিও ও পুনম হোমিও ল্যাব থেকে অবৈধ অ্যালকোহল ক্রয় করে পান করার পর ১৮ জন মারা যান। এ ঘটনা সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। ঘটনার পরপরই পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন প্রতিষ্ঠানটির মালিকদের একজন নুরন্নবী। এরপর কিছুদিন জেলে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান তিনি।


আরও পড়ুন