আজ মালদ্বীপ থেকে দেশে ফিরছেন ৪০০ বাংলাদেশি

Online Desk Saju Online Desk Saju
প্রকাশিত: ০১:৩০ পিএম, ০৭ মে ২০২০

নভেল করোনাভাইরাস মহামারির পটভূমিতে আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) মালদ্বীপ থেকে দেশে ফিরছেন ৪০০ বাংলাদেশি। গতকাল বুধবার ঢাকায় প্রবাসী কর্মীদের ফেরত আনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পঞ্চম আন্ত মন্ত্রণালয় বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মালদ্বীপ থেকে আজ দেশে ফিরবেন ৪০০ বাংলাদেশ। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ১৫০০ জনকে পাঠাবেন। অবশ্যই তাঁদেরকে গ্রহণ করা হবে। মালদ্বীপে প্রবাসীদের যাতে সমস্যা না হয় সে জন্য খাবার দেওয়া হয়েছে। আগামীতে আরো দেওয়া হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইউএইতে যথেষ্ট প্রবাসী বাংলাদেশি আটকে আছেন। ইউএই সরকার সবাইকে বলছে নিয়ে আসতে। শুধু আমরা আনছি না, পাকিস্তান ও ভারত আনছে। ভারতের প্রায় এক লাখ ৯৭ হাজার কর্মীকে ইউএই থেকে ফেরত নেওয়ার কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিরা যাঁরা আসতে চান অবশ্যই তাঁদের আমরা নিয়ে আসব।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামীতে সবচেয়ে বেশি ফিরবে কুয়েত থেকে। সৌদি আরব কতজনকে পাঠাবে সে বিষয়ে সংখ্যা এখনো দেয়নি। তবে চার হাজার ২৬২ জনের আসার সম্ভাবনা আছে। তিনি বলেন, জর্দান থেকে কর্মী ফেরত আসার সম্ভাবনা আছে। ওমান থেকে এক হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি ফিরতে পারেন। লেবাননে অনেকে বেশ ঝামেলায় আছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিনা পয়সায় আনার চেষ্টা চলছে। কাতার থেকেও ফিরতে পারেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইরাকে বড়সংখ্যক লোকের চাকরি চলে গেছে। তাদের কীভাবে ফিরিয়ে আনা যায় তা আমরা ভাবছি।প্রবাসীদের মরদেহ ফেরত আনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে কারো মৃত্যু হলে সৌদি আরব, ইউএই মরদেহ দেবে না। ইসলামী নিয়মে সেখানেই তাঁদের দাফন হবে। অন্য দেশগুলোতে করোনাভাইরাসে কেউ মারা গেলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচওর) গাইডলাইন অনুযায়ী কোয়ারেন্টিন সিস্টেমে পাঠাবে। সেই মরদেহ দেশে আনলেও আত্মীয়-স্বজন কেউ চেহারা দেখতে পারবে না। কারণ মরদেহের কোয়ারেন্টিন বক্স তৈরি করা হবে। বাক্স খোলা যাবে না।বিদেশফেরতদের কোয়ারেন্টিন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এখন সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি ব্যক্তির প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা আছে। কেউ যদি বাংলাদেশে আসার আগে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকেন বা করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে আসেন তাহলে নিজের বাড়িতে কোয়ারেন্টিনের সুযোগ দেওয়া হবে। নয়তো তাঁদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।