ফাহিম সালেহ’র হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রে সমাবেশ

Online Desk Online Desk
প্রকাশিত: ১২:২৪ পিএম, ২০ জুলাই ২০২০

টেক জায়েন্ট এবং  রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাও-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ (৩৩) হত্যার নিন্দা এবং ঘাতকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং নিউ অর্লিন্সে মানববন্ধন ও ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ফাহিম সালেহ’র আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাতও করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে কমিউনিটিতে নানা কর্মসূচিও পালিত হচ্ছে।

 শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাতে ফাহিমের স্মৃতিচারণ ও আত্মার শান্তি কামনায় আন্তর্জাতিক এক জুম মিটিংয়ে অংশ নেন লুইজিয়ানা স্টেটের নিউ অর্লিন্স, লাফায়েত, লেক চার্লস, মিসিসিপি, ফ্লোরিডা, টেক্সাস, ওহাইও, ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ থেকে পেশাজীবীরা।
এ মিটিংয়ে অংশ নেয়া নিউ অর্লিন্সের ডেলাগো কমিউনিটি কলেজের চ্যান্সেলর এবং নিউ অর্লিন্স আঞ্চলিক ট্র্যাঞ্জিট অথরিটির কমিশনার ড. মোস্তফা সারোয়ার জানান, মিটিংয়ে ফাহিমের স্মৃতিচারণ করে তার ঘাতকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা। তিনি বলেন, সৌদি আরব থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসে ফাহিমরা সপরিবারে এখানকার লেকচার্লস এলাকায় ছিলেন বেশ কয়েক বছর। এ মিটিংয়ে ৬০ জনেরও অধিক পেশাজীবী অংশ নেন।

 এদিকে লস অ্যাঞ্জেলেসের লিটল বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শনিবার বিকেলে সিটির সোনার বাংলা চত্বরে ফাহিম হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের প্রেসিডেন্ট কাজী মাশহুরুল হুদা এবং সমন্বয় করেন সেক্রেটারি লস্কর আল মামুন।
মানবন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফিরোজ আলম, আজীজ মোহাম্মদ, ডেনী তৈয়ব প্রমুখ। এসময় তারা ফাহিম হত্যার নেপথ্য মদদদাতাদের হদিস উদঘাটনসহ ঘাতকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। মানববন্ধনে ফাহিমের ঘাতকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবির প্ল্যাকার্ড হাতে অংশ নেন প্রবাসীরা।
এর আগে ফাহিমের ঘাতকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংগঠন ‘ইউএস বাংলাদেশ কো-অপারেশন (ইউবকো)’র উদ্যোগে ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে ডাইভার্সিটি প্লাজায় এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে ফাহিম সালেহ’র নামাজে জানাজা শেষে তার মরহদেহ দাফন করা হয়েছে। রোববার দুপুরে আপস্টেটের উইন্ডসর শহরের নূর মুসলিম সেমেট্রিতে তার নামাজে জানাজা ও মরদেহ দাফন হয়। ধর্মীয় ভাবগম্ভীর আর শোকাবহ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় ফাহিমের বাবা ইঞ্জিনিয়ার সালাহউদ্দিন আহমেদ ও দুই বোন এবং স্বজনসহ অর্ধ-শতাধিক মুসল্লি অংশ নেন।