পাপুল কাণ্ডে সন্দেহে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত

Online Desk Saju Online Desk Saju
প্রকাশিত: ০৯:৪১ পিএম, ১১ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্কঃ মানবপাচার কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য (এমপি) মোহাম্মদ শহিদ ইসলাম পাপুলকে গ্রেপ্তার করেছে কুয়েতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এ ঘটনায় ‘নেপথ্যের সহযোগী’ হিসেবে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস. এম আবুল কালামের নামও আসতে পারে বলে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গণমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

আজ শনিবার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানব ও অর্থ পাচারের অভিযোগে কুয়েতে বাংলাদেশি এমপি পাপুলের গ্রেপ্তারের যেসব বিস্তারিত তথ্য আসতে শুরু করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, শুধু পাপুল একা নন তাঁর এই অপরাধকর্মে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিতে নিযুক্ত ঢাকার রাষ্ট্রদূতও জড়িত থাকতে পারেন।

এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন কুয়েত এসএম আবুল কালামের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনলে বাংলাদেশ তার রাষ্ট্রদূতকে রেহাই দেবে না। অর্থপাচার ও মানবপাচারের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স বজায় রেখেছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, পাচারকারিরা যে দলেরই হোক না কেনো তাকে শাস্তি পেতে হবে।

কুয়েতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে কালামের মেয়াদ শেষ পর্যায়ে এবং তিনি এ মাসেই দেশে ফিরতে পারেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুয়েতে নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ চূড়ান্ত করার কথা জানিয়েছেন।

গত ৬ জুন পাপুলকে গ্রেপ্তার করে কুয়েতের পুলিশ। তাঁকে রিমান্ডে নিয়ে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পরে উঠে আসে কীভাবে বাংলাদেশের এই সংসদ সদস্য মানুষকে প্রতারিত করে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন এবং এই কাজে তাঁকে কুয়েতের প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তারাও ঘুষ, উপহার ও অন্যান্য সুযোগের বিনিময়ে সহায়তা করেছেন। তিনি এখন কুয়েতের কারাগারেই আছেন।