খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে ফের দাবি বিএনপির

DhakaNANDI DhakaNANDI
প্রকাশিত: ০৮:৫৩ পিএম, ২২ জুন ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা অফিস :  কোভিডপরবর্তী জটিলতায় আক্রান্ত বেগম খালেদা জিয়াকে ‘উন্নত চিকিৎসার জন্য’ বিদেশে নেওয়ার অনুমতি দিতে  সরকারের কাছে ফের দাবি জানিয়েছে তার দল বিএনপি। একইসঙ্গে তার মুক্তির দাবিও জানিয়েছে দলটি।

গত ২০ জুন অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে এই দাবি জানানো হয়। মঙ্গলবার (২২ জুন) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যযালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, “দেশনেত্রীর মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ডা. এফএম সিদ্দিকী বলেছেন, দেশনেত্রী করোনাভাইরাসের সংক্রামণ থেকে মুক্ত হলেও কোভিড পরবর্তী কয়েকটি জটিলতায় ভুগছেন এবং তিনি কোনোমতেই ঝুঁকিমুক্ত নন। বিদেশে কোনো উন্নত কেন্দ্রে উনার লিভার ও অন্যান্য জটিলতার চিকিৎসা প্রয়োজন। বাংলাদেশে এর সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে আরও উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রেরণের জন্য তার বিদেশে যাওয়ার ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করা এবং তার মুক্তি প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি।

৭৬ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির দুই মামলায় দণ্ডিত। দণ্ড নিয়ে তিন বছর আগে তাকে কারাগারে যেতে হয়। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর পরিবারের আবেদনে সরকার গত বছরের ২৫ মার্চ ‘মানবিক বিবেচনায়; শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এরপর থেকে তিনি গুলশানের বাসাতেই ছিলেন।

গত ১৪ এপ্রিল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর ২৭ এপ্রিল বসুন্ধরার এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। এরপর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে চেয়েছিল তার পরিবার। কিন্তু খালেদা জিয়া সরকারের নির্বাহী আদেশে বিশেষ শর্তে মুক্ত থাকায় তার বিদেশে যাওয়ার ‘আইনি সুযোগ নেই’ বলে সরকার জানিয়ে দেয়।

হাসপাতালে ৫৩ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর গত ১৯ জুন গুলশানের বাসা ফিরোজায় ফেরেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, “আগে উনার পরিবার বিদেশে প্রেরণ করার কথা বলেছিল, আমরা কিছু বলিনি। এবার আমরা পার্টির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রেজুলেশন নিচ্ছি যে তার বিদেশে চিকিৎসা দরকার। এর জন্য যা কিছু সরকারের করা দরকার সরকারের করা উচিত ইমিডিয়েটলি। তার পরের যে স্টেপগুলো আছে, তা আলাপ-আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।”


আরও পড়ুন