অগ্রণী ব্যাংক’র সেই জমি ফের হাজী সেলিমের দখলে

Online Desk Saju Online Desk Saju
প্রকাশিত: ০৮:১৬ পিএম, ২১ নভেম্বর ২০২০

সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের বেদখল করা শত কোটি টাকার জমি উদ্ধার করে এক সপ্তাহও রাখতে পারেনি সরকারি মালিকানাধীন অগ্রণী ব্যাংক। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিজেদের দখল ফিরে পেয়ে অগ্রণী ব্যাংক স্থাপনা নির্মাণের জন্য যেসব নির্মাণসামগ্রী রেখেছিল, সেগুলোও সরিয়ে নিয়েছেন হাজী সেলিমের লোকজন।

ব্যাংকের নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে জমিতে হাজী সেলিমের স্ত্রীর মালিকানা দাবির সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। সীমানা প্রাচীরের ফটকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে তালা। এদিকে ব্যাংকের কর্মকর্তারা ভয়ে সেই জমিতে যাচ্ছেন না।

এ ঘটনার পর গত ৫ নভেম্বর চকবাজার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে অগ্রণী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে র‌্যাবকেও চিঠি দেয়া হয়েছে।

চলতি বছরের মার্চে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়ার পর ব্যাংকের কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়ে। এই সুযোগে হাজী সেলিমের লোকজন জায়গাটি দখল করে নেয়। তারা বুলডোজার দিয়ে পুরোনো ভবন গুঁড়িয়ে দিয়ে সীমানা প্রাচীর তুলে দেয়।

এই ঘটনায় গত ২০ মে চকবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ওই শাখার দায়িত্বে থাকা সহকারী মহাব্যবস্থাপক বৈষ্ণব দাস মণ্ডল। ১৫ জুন র‌্যাব-৩ এর কাছেও অভিযোগ দেন তিনি।

সে সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ব্যবস্থা না নিলেও গত ২৬ অক্টোবর নৌ বাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে গ্রেফতারের পরদিন জমিটি উদ্ধার করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেয়া হয়। তবে ৪ নভেম্বর রাতে আবার হাজী সেলিমের লোকজন জমিটি দখল করে নেয় বলে জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকেই জমিটি সে সময়ের হাবিব ব্যাংকের ছিল। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর হাবিব ব্যাংক ও কমার্স ব্যাংক একীভূত করে গঠন করা হয় অগ্রণী ব্যাংক। আর সেখানেই করা হয় ব্যাংকটির শাখা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই শাখার উদ্বোধন করেন। সেখানে তার একটি ব্যাংক হিসাবও ছিল। ওই জমিতে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় পরে ব্যাংকটির শাখা পাশের একটি ভবনে সরিয়ে নেয়া হয়। আর এই জমিতে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়।

সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের বেদখল করা শত কোটি টাকার জমি উদ্ধার করে এক সপ্তাহও রাখতে পারেনি সরকারি মালিকানাধীন অগ্রণী ব্যাংক। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিজেদের দখল ফিরে পেয়ে অগ্রণী ব্যাংক স্থাপনা নির্মাণের জন্য যেসব নির্মাণসামগ্রী রেখেছিল, সেগুলোও সরিয়ে নিয়েছেন হাজী সেলিমের লোকজন।

ব্যাংকের নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে জমিতে হাজী সেলিমের স্ত্রীর মালিকানা দাবির সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। সীমানা প্রাচীরের ফটকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে তালা। এদিকে ব্যাংকের কর্মকর্তারা ভয়ে সেই জমিতে যাচ্ছেন না।

এ ঘটনার পর গত ৫ নভেম্বর চকবাজার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে অগ্রণী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে র‌্যাবকেও চিঠি দেয়া হয়েছে।

চলতি বছরের মার্চে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়ার পর ব্যাংকের কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়ে। এই সুযোগে হাজী সেলিমের লোকজন জায়গাটি দখল করে নেয়। তারা বুলডোজার দিয়ে পুরোনো ভবন গুঁড়িয়ে দিয়ে সীমানা প্রাচীর তুলে দেয়।

এই ঘটনায় গত ২০ মে চকবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ওই শাখার দায়িত্বে থাকা সহকারী মহাব্যবস্থাপক বৈষ্ণব দাস মণ্ডল। ১৫ জুন র‌্যাব-৩ এর কাছেও অভিযোগ দেন তিনি।

সে সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ব্যবস্থা না নিলেও গত ২৬ অক্টোবর নৌ বাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে গ্রেফতারের পরদিন জমিটি উদ্ধার করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেয়া হয়। তবে ৪ নভেম্বর রাতে আবার হাজী সেলিমের লোকজন জমিটি দখল করে নেয় বলে জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকেই জমিটি সে সময়ের হাবিব ব্যাংকের ছিল। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর হাবিব ব্যাংক ও কমার্স ব্যাংক একীভূত করে গঠন করা হয় অগ্রণী ব্যাংক। আর সেখানেই করা হয় ব্যাংকটির শাখা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই শাখার উদ্বোধন করেন। সেখানে তার একটি ব্যাংক হিসাবও ছিল। ওই জমিতে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় পরে ব্যাংকটির শাখা পাশের একটি ভবনে সরিয়ে নেয়া হয়। আর এই জমিতে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়।

সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের বেদখল করা শত কোটি টাকার জমি উদ্ধার করে এক সপ্তাহও রাখতে পারেনি সরকারি মালিকানাধীন অগ্রণী ব্যাংক। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিজেদের দখল ফিরে পেয়ে অগ্রণী ব্যাংক স্থাপনা নির্মাণের জন্য যেসব নির্মাণসামগ্রী রেখেছিল, সেগুলোও সরিয়ে নিয়েছেন হাজী সেলিমের লোকজন।

ব্যাংকের নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে জমিতে হাজী সেলিমের স্ত্রীর মালিকানা দাবির সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। সীমানা প্রাচীরের ফটকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে তালা। এদিকে ব্যাংকের কর্মকর্তারা ভয়ে সেই জমিতে যাচ্ছেন না।

এ ঘটনার পর গত ৫ নভেম্বর চকবাজার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে অগ্রণী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে র‌্যাবকেও চিঠি দেয়া হয়েছে।

চলতি বছরের মার্চে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়ার পর ব্যাংকের কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়ে। এই সুযোগে হাজী সেলিমের লোকজন জায়গাটি দখল করে নেয়। তারা বুলডোজার দিয়ে পুরোনো ভবন গুঁড়িয়ে দিয়ে সীমানা প্রাচীর তুলে দেয়।

এই ঘটনায় গত ২০ মে চকবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ওই শাখার দায়িত্বে থাকা সহকারী মহাব্যবস্থাপক বৈষ্ণব দাস মণ্ডল। ১৫ জুন র‌্যাব-৩ এর কাছেও অভিযোগ দেন তিনি।

সে সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ব্যবস্থা না নিলেও গত ২৬ অক্টোবর নৌ বাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে গ্রেফতারের পরদিন জমিটি উদ্ধার করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেয়া হয়। তবে ৪ নভেম্বর রাতে আবার হাজী সেলিমের লোকজন জমিটি দখল করে নেয় বলে জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকেই জমিটি সে সময়ের হাবিব ব্যাংকের ছিল। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর হাবিব ব্যাংক ও কমার্স ব্যাংক একীভূত করে গঠন করা হয় অগ্রণী ব্যাংক। আর সেখানেই করা হয় ব্যাংকটির শাখা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই শাখার উদ্বোধন করেন। সেখানে তার একটি ব্যাংক হিসাবও ছিল। ওই জমিতে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় পরে ব্যাংকটির শাখা পাশের একটি ভবনে সরিয়ে নেয়া হয়। আর এই জমিতে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়।


আরও পড়ুন