প্রসাধনী যখন ব্রণের কারণ

প্রকাশিত: নভেম্বর ২২, ২০২২, ০৯:৪১ রাত
আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০২২, ১১:৪০ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

নিয়ম মেনে ও ধারাবাহিকভাবে ত্বকের পরিচর্যা করলে ব্রণ প্রবণ ত্বকও সুস্থ রাখা সম্ভব। তবে কোন ধরনের পণ্য ব্যবহার ত্বকে ব্রণ সৃষ্টি করতে পারে সে সম্পর্কে ধারণা থাকলে সমস্যা অনেকটাই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।

সিলিকন্স: ত্বক ও চুলের যত্ন ছাড়াও বিভিন্ন প্রসাধনী পণ্য তৈরিতে বিপুল হারে সিলিকন্স ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান কারণ হল এটা ত্বকে ক্রিমের মতো অনুভূতি দেয়। তাৎক্ষণিক কোমলভাব এবং সহজেই ত্বকে ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করে বলে এর জনপ্রিয়তা বেশি। এটা কোমল অনুভূতি দিলেও ত্বকের স্বাস্থ্যগত সমস্যা সৃষ্টি করে। এর তৈরি করা পাতলা আবরণ ত্বকের লোমকূপে আটকে ব্রণ সৃষ্টি করতে পারে।

নারিকেল তেল: সব তেল এক রকম নয়। তিলের তেল ত্বকের জন্য ভালো হলেও নারিকেল তেল নয়। নারিকেল তেলের নানান গুণাগুণ থাকার পরেও এটা ব্রণ প্রবণ ত্বকের জন্য উপযুক্ত নয়। নারিকেল তেলের আণবিক ওজন বেশি। এর ‘কমেডোজেনিক রেটিং’ পাঁচের মধ্যে চার। ফলে এটা ত্বকের লোমকূপে আটকে যায় ও ‘ব্রেক আউট’য়ের ঝুঁকি বাড়ায়। আর ত্বকে সহজে শোষিত হয় না।

নারিকেল তেল ব্যবহারের মানে হল ত্বকের উপরিভাগে আলোক-সংবেদনশীল তেলের স্তর তৈরি করা, যা অনেকের পক্ষেই সংবেদনশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। সোডিয়াম লরল সালফেট: ফেইস ওয়াশ, শ্যাম্পু এমনকি ডিটারজেন্ট ও ‘ডিশ ওয়াশিং’ তরলে ব্যবহৃত জনপ্রিয় উপকরণের মধ্যে এটা একটি।

এটা তেল, ময়লা, জীবাণু দূর করার পাশাপাশি ত্বকের জন্য উপকারী প্রাকৃতিক তেলও দূর করে। ফলে ত্বকে আরও বেশি তেল নিঃসরণ শুরু হয়। অনিয়ন্ত্রিত সিবাম নিঃসরণ ত্বকে প্রদাহ, ব্রণ ও ব্রেক আউটের সৃষ্টি করে। ত্বক ব্রণ প্রবণ হলে প্রথমে মাইসেলার ওয়াটার, পরে মৃদু ফেইসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। সোডিয়াম লরল সালফেট সমৃদ্ধ কড়া ফেইস ওয়াশ ব্রণ সৃষ্টির পাশাপাশি ত্বকের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়