ঘরবন্দি জীবনে সংসারে শান্তি বজায় রাখতে

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৮:২৬ পিএম, ৩০ মে ২০২০

লাইফ স্টাইল ডেস্ক : সারাক্ষণ একসঙ্গে থাকলে খটমট লাগতেই পারে। সেখানে থেকে বাঁচার রয়েছে উপায়। বিবাহিত-জীবনে সাংসারিক ঝগড়া থাকেই। তবে সাধারণ সময়ে যেখানে দুজন আলাদা সময় কাটানোর উপায় ছিল সেটা এখন আর সম্ভব হচ্ছেনা। সারাক্ষণ একসঙ্গে থাকার কারণে খটমট লাগতেই পারে।এক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীর মাঝে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে গৃহবন্দিজীবন কাটানোর কিছু পন্থা জানতে হবে।নিজের জন্য সময় রাখা :  সম্পর্কের পাশাপাশি জীবনের প্রতি মনোযোগ দেওয়া ব্যক্তিগত জীবনকে সুদৃঢ়, শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। সম্পর্কে আবদ্ধ হওয়ার পরে অধিকাংশ মানুষই সঙ্গী বা সম্পর্কের প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়েন। এটা সীমিত হওয়া ভালো। কিন্তু অতিরিক্ত হওয়ার ফলে অনেকক্ষেত্রেই মানুষ নিজের স্বতন্ত্রতা হারিয়ে ফেলে। তাই কাজের ফাঁকেও সঙ্গীকে দেওয়া সময় থেকে কিছুটা সময় নিয়ে নিজের মতো করে কাটান। পছন্দের কিছু পড়া, গান শোনা, সিনেমা দেখা, লেখালেখি করা বা রান্না করা ইত্যাদি কাজের মধ্য দিয়ে নিজেকে সময় দিন।  

দোষারোপ  না করা : যে কোনো কিছুতেই কেবল সঙ্গীর দোষ ধরা বন্ধ করুন। যদি সত্যিই দোষারোপ করার মতো কিছু ঘটে থাকে তাহলে তার সঙ্গে আগে এই বিষয়ে খোলামেলা আলাপ করে নিন। একে অপরকে দোষ দিলে কেবল পরিস্থিতি খারাপের দিকেই যাবে এবং নেতিবাচক মনোভাবের সৃষ্টি হবে। ‘সেলফ আইসোলেশন’ বা  স্ব-বিচ্ছিন্নতা সহজ বিষয় নয় এবং সঙ্গীর সঙ্গে যতটা সম্ভব কম জটিলতায় জড়ানো হবে বিষয়টাকে অনেকটাই সহজ করে দেবে।সারাদিন কাজ না করা : কোভিড-১৯ এর কারণে অফিস আদালত বন্ধ থাকায় ঘরে বসেই কাজ করতে হচ্ছে সবাইকে এবং কাজের চাপও অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি। বর্তমানে, ‘কর্ম-জীবন ভারসাম্য’ এই ছন্দের সঙ্গে তাল মিলাতে গিয়ে অনেকেই নিজেকে হারিয়ে ফেলছেন। কাজ শেষ করা আর ব্যক্তিগত জীবনের মাঝে কোনো পার্থক্য না রাখা জীবনের ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। বাড়ির অন্যান্য কাজেও নিজেকে জড়িত করুন এবং কাজের ফাঁকে ফাঁকেও সঙ্গীকে সময় দিন। প্রয়োজনে ল্যাপটপ বন্ধ করে কাজ বাদ দিয়ে সঙ্গীর সঙ্গে কিছুটা একান্ত সময় কাটান।
তর্ক এড়ানো ভালো : একসঙ্গে থাকলে যে কোনো সময় কম বেশি কথা কাটাকাটি হতেই পারে, কিন্তু তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। কোন বিষয় আলোচনা করার সময় যদি এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং তা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, তাহলে মনোমালিন্য শেষে ‘দুঃখিত’ বা ‘ধন্যবাদ’য়ের মতো শব্দ ব্যবহার করুন। একে অপরের প্রশংসা করার মতো একে অপরের কাছে ক্ষমা চাওয়াও জরুরি। নিজের ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চাইলে ঝামেলার সৃষ্টি হয়না বরং অন্য সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।