শিশুদের পোশাকে লাল-সবুজ

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১২, ২০২১, ০৫:১০ বিকাল
আপডেট: ডিসেম্বর ১২, ২০২১, ০৫:১০ বিকাল
আমাদেরকে ফলো করুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক ঃ বিজয় এলে শুধু কী বড়দেরই আনন্দ জাগে? তারাই কী শুধু দিবসটি নিয়ে ভাবে, না তা নয়। বিজয় দিবস এলে বড়দের পাশাপাশি ছোটরা আনন্দিত হয়। প্রযুক্তির কল্যাণে শিশুরাও জেনে গেছে, এই দিবসটি আমাদের জন্য আনন্দের উদ্দীপনার। বড়দের মত ছোটরাও এই দিনটিতে বিশেষ পোশাক পড়তে চায়, কোথাও ঘুরতে চায়। বিজয়ের অনুষ্ঠানমালা দেখতে চায়। 

ছোটদের জন্য লাল সবুজের পোশাক হলে যে সেটা শুধু পতাকার আদলেই হতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই। আপনি আপনার বাচ্চার গড়নে যেমনটা ভালো লাগবে তেমনটা তৈরি করতে হবে। আর এটা সব সময় মাথায় রাখা ভালো যে বাচ্চাদের ফ্যাশনের চাইতে আরামকে প্রাধান্য দিতে হবে আগে।

নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পৌঁছে দিতে গুণীজনরা নানা মাধ্যমে কাজ করেন। এরই অংশ হিসেবে ফ্যাশন ডিজাইনাররা পোশাকের ক্যানভাসে তুলে আনেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। আর তাই এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ডিসেম্বর বা মার্চ এলে দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলোর পোশাকের রঙে ও নকশায় দেখা যায় মুক্তিযুদ্ধের অবয়ব।

এ ধারাবাহিকতায় এবারও দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো বড়দের পাশাপাশি ছোটদের জন্যও এনেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক বিশেষ পোশাক। এসব পোশাক লাল-সবুজ রঙের কাপড়ে তৈরি করা। আর নকশায় রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্র, মুক্তিযুদ্ধের কবিতা, মুক্তিযুদ্ধের গান কিংবা লাল-সবুজ পতাকা অথবা মানচিত্রের উপস্থাপনা।

ছোটদের জন্য বিজয় দিবসের পোশাক এনেছে রঙ বাংলাদেশ। তাদের পোশাকের মধ্যে শার্ট, পাঞ্জাবি ও ফ্রক। লাল-সবুজ কাপড়ে মুক্তিযুদ্ধের লেখা প্রিন্ট্রের মাধ্যমে নকশায় আনা হয়েছে। বিশেষত সুতি কাপড়ে করা এসব পোশাক। 

শিশুদের জন্য বিজয় দিবসের পোশাকের মধ্যে শার্ট, পাঞ্জাবি ও ফ্রক। লাল-সবুজ কাপড়ে মুক্তিযুদ্ধের লেখা প্রিন্ট্রের মাধ্যমে নকশায় আনা হয়েছে। বিশেষত সুতি কাপড়ে করা এসব পোশাক। এসব পোশাকের মধ্যে ছোটদের পোশাক পেয়েছে প্রাধান্য। দেশীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ড বিজয় দিবসের পোশাকের সংগ্রহে ছোটদের পোশাকও রেখেছে।

এছাড়া সাধারণ মার্কেট ও বিপনীবিতানগুলোতেও রয়েছে বিজয় দিবস উপলক্ষে শিশুদের পোশাক। বড়দের পাশাপাশি ছোটদের জন্য এনেছে ফতুয়া, পাঞ্জাবি, ফ্রক ও টি-শার্ট। আরামদায়ক কাপড়ে লালসবুজ রঙে এসব পোশাকের নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের আমেজ।

‘ফ্যাশন হাউসগুলো বিভিন্ন দিবস বা পার্বণে পোশাক আনেন, এটা ভালো উদ্যোগ। কিন্তু তারা দাম বেশি রাখেন। সাধারণ সুতি কাপড়ে স্ক্রিনপ্রিন্টের মাধ্যমে নকশা করেন, আবার খুব যে মান থাকে, তাও নয়। অথচ দাম রাখেন অনেক বেশি। আর যেহেতু এ পোশাকগুলো বিশেষ দিনের জন্য, তাই অন্যসময় এগুলো পরাটাও কম হয়। কিন্তু দামটা থাকে চড়া। সেজন্য অনেক সময় ইচ্ছে থাকলেও কেনা হয় না। তাই ফ্যাশন হাউসগুলোর উচিত দিবস বা পার্বণের পোশাকগুলোর দাম কম রাখা।’
 

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়