মিডলাইফ ক্রাইসিসে ভুগলে কী করবেন?

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৮, ২০২১, ০৫:৫৮ বিকাল
আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২১, ০৫:৫৮ বিকাল
আমাদেরকে ফলো করুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক ঃ রাকিব-সানিয়া দম্পতির বিয়ে হয়েছে প্রায় বছর আগে। তাদের এক ছেলে-এক মেয়ে। তারাও বড় হয়ে এখন স্ব স্ব কর্মক্ষেত্র ও সংসার নিয়ে বিজি। রাকিব চাকরি করলেও সানিয়া গৃহিণী। বিয়ের পর বছর ঘুরতে না ঘুরতেই পুত্র সন্তানের মা হন। এরপর দুই বছর না যেতেই কন্যা হয়। তাই সংসার ও সন্তানদের নিয়েই তিনি ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তও ছেলে-মেয়েরা বড় হয়ে নিজ নিজ জগতে ব্যস্ত হওয়ার পর একলা হয়ে যান সানিয়া। এখন এসে প্রায়ই স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন সানিয়া। তার শৈশব, কৈশোর ও বিয়ের পরের দিনগুলোর কথা বার বার মনে পড়ে।
সানিয়ার মত সাঝ বয়সে এসে নারী-পুরুষ সবাই কমবেশি স্মৃতি কাতর হয়ে পড়েন। কৈশোরের সময়টাকে হঠাৎ মিস করা শুরু করেন। অনেকেরই মনে আসে, খুব দ্রুতই যেন কেটে গেল কৈশোরকাল! কিছু অপূর্ণতা নতুন করে জেঁকে বসে? দায়িত্বের যাঁতাকলে পিষ্ট হওয়ার হতাশা ক্ষণে ক্ষণে আঁকড়ে ধরছে? একে বলা হয় মিডলাইফ ক্রাইসিস বা মাঝবয়সের সংকট। চল্লিশের আগে কিংবা পঞ্চাশের পরেও মিডলাইফ ক্রাইসিস হানা দিতে পারে।
এই বয়সে আরও কিছু সমস্যা দেখা দেয়। যেমন- কোনও কিছুতে আগ্রহ না পাওয়া। জীবনের লক্ষ্য হারিয়ে যাওয়া। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়া। অন্যের জীবন দেখে হিংসা হওয়া। জেতার জন্য নয়, বরং টিকে থাকার জন্য খেলা। সফলতা পেয়েও আনন্দিত না হওয়া। সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে দ্বিধায় ভোগা।  
কাছের কেউ মিডলাইফ ক্রাইসিসে ভুগলে কী করবেন?
সবার আগে মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনুন। কোনও ধরনের জাজমেন্টাল আচরণ করবেন না তার সামনে। তাকে তার পজেটিভ ব্যাপারগুলোর জন্য প্রশংসা করুন। এটি মনোবল বাড়াতে সাহায্য করবে।  জীবনের এক একটি পর্যায় একেক ধরনের ইতিবাচক দিক নিয়ে আসে। সেগুলো গল্পচ্ছলে বলতে পারেন। যেমন কারোর চুল পেকে যাওয়া মানেই সে বৃদ্ধ হয়ে গেছে সেটা না। বরং জীবনবোধ সম্পর্কে সে আরও পরিপক্ক হয়েছে। এখনকার নেওয়া সিদ্ধান্ত তাই সঠিক হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। প্রয়োজনে প্রফেশনাল কাউন্সিলরের সাহায্য নিতে তাকে উদ্বুদ্ধ করুন।  
 

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়