হিল জুতা পরলে পা ঘামে

Online Desk Aminul Online Desk Aminul
প্রকাশিত: ০৭:০১ পিএম, ২৯ আগষ্ট ২০২১

লাইফস্টাইল ডেস্ক: হিল জুতা পরলে অনেকের পায়ে ঘাম হয়, যা বেশ অস্বস্তিকর। তবে কিছু পন্থা অবলম্বন করলে হিল জুতা পরা অবস্থায় পায়ের পাতা ঘামা রোধ করা যায়। 
এক্সপ্রেস ডটকো ডটইউকে’তে প্রকাশিত প্রতিবেদনে যুক্তরাজ্যের হিল জুতার ব্র্যান্ড ‘কায়া ক্যাপ্রিকল’য়ের প্রতিষ্ঠাতা এমজি স্মিট-এর দেওয়া পরামর্শগুলো এখানে দেওয়া হল।
ডিওডোরেন্ট ছিটিয়ে দেওয়া: শুনতে আজব লাগলেও পায়ের গোড়ালির ঘাম কমাতে ডিওডোরেন্ট ছিটিয়ে দেওয়া সহজ সমাধান হিসেবে কাজ করে। বাহুমূলের মতো গোড়ালিতেও ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করলে ঘাম কমাতে সহায়তা করে। এক স্তর ব্যবহারেই সারাদিন সতেজ থাকা যায়। ডিওডোরেন্ট নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও হালকা প্রসাধনী বেছে নেওয়া প্রয়োজন। এতে দাগ ছোপ পড়ার সম্ভাবনা থাকে না। বিশেষত যারা উঁচু জুতা পরেন তাদের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ।
হিল জুতা যেন পায়ের তুলনায় বেশি ছোট বা বড় না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। একটু ফাঁকা যেন থাকে পায়ে। এমজি’য়ের মতে, “বাতাস চলাচল ঠিক রাখা আবশ্যক। অকারণেই বড় দেখায় এমন উঁচু জুতা না পরাই ভালো।”
জুতার ভেতর কিছুটা ফাঁকা থাকলে কেবল ব্যথাই কমায় না বরং গোড়ালিতেও বাতাস চলাচল সহায়তা করে। ফলে গোড়ালি ঠান্ডা থাকে ও ঘাম মুক্ত রাখতে সহায়তা করে।
কখনও শক্ত ও আঁটসাঁট জুতা পরা ঠিক না। এতে গোড়ালি গরম হয়ে ওঠে এবং ঘাম হয়।
মোজা ব্যবহার: অধিকাংশ উঁচু জুতার সঙ্গে মোজা পরা যায় না। তবে মোজা ব্যবহার করলে পায়ে ঘাম তুলনামূলক কম হয়। ‘কোর্ট হিল’ পরলে এর সঙ্গে মোজা পরা যায়। ফলে পা কম ঘামে।
‘ফুট পাউডার’ ব্যবহার: হিল জুতার সামনের দিক খোলা বা স্যান্ডেলের মতো না হয় তাহলে এতে সামান্য পাউডার ছিটিয়ে নেওয়া উপকার করে। পাউডার ঘাম শুষে নেয় এবং আরামে থাকতে সাহায্য করে। তবে এই পদ্ধতি তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন জুতার সঙ্গে পায়ে মোজা-ধরনের কোনো লাইনিং ব্যবহার না করা হয়।
আর্দ্র থাকা: পর্যাপ্ত পানি পান ঘাম কমাতে সহায়তা করে। পানি কম পান করা বা ব্যস্ততার কারণে পানি পান করতে ভুলে যাওয়া শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে। ফলে শরীর ঠান্ডা রাখতে ঘাম হয়। দৈনিক আট গ্লাস পানি পান ঘামের পরিমাণ কমায়। ফলে উঁচু জুতা পরার বাঁধা থাকে না।
মানসিক চাপ কমানো: বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক চাপ থেকেও পা ঘামে। তাই ঘাম কমাতে মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করা প্রয়োজন। মানসিকচাপ কমাতে যোগ ব্যায়াম বা ধ্যান কার্যকর। এগুলো দীর্ঘ মেয়াদী হিসেবে মানসিক চাপ এবং এর কারণে হওয়া পায়ের ঘাম কমাতে সহায়ক। পা ঘামার প্রবণতা থাকলে জুতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে সঠিক ধরন বেছে নেওয়া উচিত। এক্ষেত্রে বাতাস চলাচল করে, পা খোলা থাকে এমন জুতা বেছে নেওয়া উচিত। তাহলে পায়ের পাতা ঘামার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে।