আদালতে মজনুর কান্না, বললেন ‘মায়ের কাছে যাব’

Online Desk Saju Online Desk Saju
প্রকাশিত: ০৬:২৮ পিএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় একমাত্র আসামি মজনুর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মজনুকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘আমি যাব না। আমি মায়ের কাছে যাব।’

আজ রোববার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক মোসাম্মৎ কামরুন্নাহারের আদালতে ভিকটিমের বাবা সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য গ্রহণের সময় মজনুকে আদালতে হাজির করে কারা কর্তৃপক্ষ। তাঁর উপস্থিতিতে আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ফের কারাগারে নেওয়ার সময় মজনু আদালত প্রাঙ্গণে কান্না শুরু করেন।  কাঁদতে কাঁদতে মজনু বলেন, ‘আমি যাব না। আমি মায়ের কাছে যাব।’

কাঁদতে কাঁদতে মেঝেতে শুয়ে পড়েন মজনু। সে সময় পুলিশ সদস্যরা তাঁকে ধরে আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দণ্ড থেকে বাঁচার জন্যই মজনু এমন অভিনয় করছে।’

এ মামলায় আগামীকাল ফের সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট একই আদালত এ মামলায় অভিযোগ গঠনের নির্দেশ দেন। এর পরই মামলার সাক্ষ্য শুরু হলো।

গত ১৬ মার্চ মজনুকে একমাত্র আসামি করে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক আবু সিদ্দিক। ওই দিনই আদালত মামলাটি বিচারের জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে আদালত সাধারণ ছুটিতে থাকায় কোনো কার্যক্রম হয়নি।

গত ৮ জানুয়ারি ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন শেওড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় মজনুকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। গত ৯ জানুয়ারি আদালত মজনুর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর গত ১৬ জানুয়ারি মজনু দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। এর পর থেকে মজনু কারাগারে।

এর আগে ৫ জানুয়ারি ঢাবির ওই ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হন। পরে ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।