চাল চুরি : দায়ীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে লিগ্যাল নোটিশ

Online Desk Online Desk
প্রকাশিত: ০১:৪৭ এএম, ১৪ এপ্রিল ২০২০

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার ঘোষিত অবরুদ্ধ অবস্থার মধ্যে কর্মহীন, দুস্থ মানুষদের জন্য বরাদ্দকৃত স্বল্পমূল্যের চাল চুরির ঘটনায় দায়ীদের বিচারে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করে তার আওতায় বিচার করার জন্য জন্য লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন এক ব্যারিস্টার।

রোববার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এইচ ইমাম হাসান ভূইয়া ইমেলের মাধ্যমমে এ নোটিশ পাঠান। চালের সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিতে সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেয়ার নির্দেশ চেয়ে সরকারের ৬টি মন্ত্রণালয়ের সচিবকে বিবাদী করে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে সাত কার্য দিবসের মধ্যে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য নোটিশে বলা হয়েছে। নোটিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা না নেয়া হলে পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানানো হয়।নোটিশে এই সব মামলায় যদি কোনো আসামি দণ্ডিত হয় এবং আপিলে দণ্ড বহাল থাকে, তাহলে সেই সব দণ্ডিত আসামির তালিকা তৈরি করে জনসম্মুখে প্রকাশ করার কথাও বলা হয়।

মন্ত্রণালয়গুলো হলো- খাদ্য মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় , আইন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রালয়।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার এ এইচ ইমাম হাসান ভূইয়া বলেন, করোনা ভাইরাস বিশ্বব্যাপী মহামারি আকার ধারণ করেছে। আর এই সময়ে দুস্থ মানুষদের দেয়ার জন্য স্বল্পমূল্যের চাল চুরির ঘটনা ঘটাচ্ছে একটি গোষ্ঠী। এতে করে মানবিক বিপর্যয়ের দিকেএগিয়ে দেয়া হয়েছে সারাদেশের মানুষকে। ফলে এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তারা দেশের মানুষের শত্রু।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময়ে রাজাকারদের তালিকা নিয়ে এখনো বিতর্ক তৈরি হয়। ভবিষ্যতে দেশের ক্রান্তিকালে যারা অমানবিকতা করলো, তাদেরও তালিকা করে রাখা জরুরি।

এ এইচ ইমাম হাসান ভূইয়া বলেন, আমরা জানি চাল চুরির ঘটনাগুলো এখন শুধু চুরির মামলার আওতায় পড়ছে। আর আইনে এই মামলার বিচার খুবই দেরিতে হয়। আর মামলাটি নিম্ন আদালতেই জামিনযোগ্য।ফলে তারা অচিরেই ছাড়া পেয়ে যাবে। এ কারণে এই সময়ে যারা চাল চুরির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তাদের কঠোর সাজার জন্যে দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল করার জন্যে নোটিশ দেয়া হয়েছে।

এছাড়াও চাল বিতরণে এমন অনিয়ম বন্ধ করতে সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন এই আইনজীবী।

তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী এর আগেও বিভিন্ন সময় মানুষের সঙ্গে মিশে সততার সঙ্গে কাজ করেছে। যেকোনো দুর্যোগে তারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। মানুষের তাদের প্রতি বিশ্বাস রয়েছে। ফলে চাল বিতরণে সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেয়া হলে চাল চুরি ঠেকানো সম্ভব।