চীনা ভ্যাকসিন বয়স্কদের শরীরেও অ্যান্টিবডি তৈরি করেছে

Online Desk Online Desk
প্রকাশিত: ১২:০৭ পিএম, ১৭ অক্টোবর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: তরুণ থেকে শুরু করে ৮০ বছরের বেশি বয়সীদের শরীরেও চীনা ভ্যাকসিন প্রয়োগে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে এ তথ্য জানা গেছে।  সংবাদ সংস্থা রয়টার্স ও পিটিআই এ খবর জানিয়েছে।

সম্ভাব্য করোনা ভ্যাকসিনটি নিয়ে তৈরি করেছে বেইজিং ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টস। সম্প্রতি ল্যানসেট মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এ গবেষণা প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, চীনের তৈরি এই ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে দারুণ ফল দেখা গেছে। আঠারো থেকে ৮০ বছরের বেশি বয়সী স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরেও ভ্যাকসিনের ডোজে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

চীনের এই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের নাম ‘বিবিআইবিপি-করভি’। বেইজিং ইনস্টিটিউটের ভাইরোলজিস্টরা জানিয়েছেন, গবেষণাগারে সার্স-কভ-২ ভাইরাসকে (নভেল করোনাভাইরাস) একেবারে নিস্ক্রিয় করে এই ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট তৈরি হয়েছে। নিস্ক্রিয় ভাইরাল স্ট্রেইন মানুষের শরীরে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। এই ভাইরাল স্ট্রেইন শরীরে ঢুকে বিভাজিত হতেও পারবে না।

গবেষকরা বলছেন, স্বেচ্ছাসেবকদের দুটি দলে ভাগ করা হয়েছিল। প্রথম দলে ১৮ থেকে ৫৯ বছর বয়সীদের ৮ মাইক্রোগ্রাম ভ্যাকসিনের ডোজ দিয়ে শূন্য থেকে ২৮ দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। অন্যদিকে ৬০ বছর থেকে ৮০ বছর বয়সী স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দিষ্ট মাত্রায় ভ্যাকসিনের দুটি শট দিয়ে শূন্য থেকে ৪২ দিন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। দেখা যায়, দুই দলের স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরেই পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। তবে ৮০ বছরের বেশি বয়সীদের ৪২ দিন পর অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। সেইসঙ্গে সক্রিয় হয়েছে ‘টি-লিম্ফোসাইট’ কোষ। গবেষকদের দাবি, ভ্যাকসিনের ডোজে ‘সাইটোটক্সিক সিডি৮-পজিটিভ টি কোষ’ সক্রিয় হয়েছে। এ ধরনের টি-কোষ সংক্রামক প্যাথোজেন থাকা কোষকে নষ্ট করে দিতে পারে।