স্পেনে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, দিশেহারা সরকার

Online Desk Saju Online Desk Saju
প্রকাশিত: ০৬:৫৪ পিএম, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

ইউরোপে করোনা পরিস্থিতি আবারও অবনতির দিকে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের অনেক দেশেই আবারও নানা বিধি নিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। নতুন করে আক্রান্তের হার বাড়ায় উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় রয়েছেন প্রবাসীরা।

স্পেনে আবারও আশঙ্কাজনক হারে করোনা ভাইরাস বাড়তে থাকায় দেশটির সরকার প্রায় দিশেহারা। মাদ্রিদের প্রাদেশিক সরকার, শতকরা ২৫% লোক করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ৩৭টি স্থান চিহ্নিত করে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে জারি করেছে, কঠোর বিধিনিষেধ। এতে আরও বেশি সতর্ক হয়ে চলাফেরার আহবান জানান প্রবাসী সাংবাদিকরা।

স্পেন বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাহাদুল সুহেদ বলেন, এখানকার বাংলাদেশি প্রবাসীরা উল্লেখযোগ্য হারে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে অনেকে ঘুরাফেরা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে প্রবাসী ভাইবোনদের আরো সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করি।

নতুন করে লকডাউন দেয়ায় আবারও লোকসানের আশঙ্কা করছেন প্রবাসী ব্যবসায়ীরা। এক ব্যবসায়ী বলেন, মাদ্রিদ কর্তৃপক্ষ নতুন করে লকডাউন আরোপ করায় আমরা বিপাকে পড়েছি। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের শুরু থেকেই লোকসান গুণতে হচ্ছে। নতুন লকাডাউনের ক্ষতি সামলানোর মতো কোনো আছ কি না; জানা নেই।

জুলাইয়ের শুরু থেকে লকডাউন খুলে দেয়ায়, প্রবাসী কর্মজীবীরা নিয়েছিলেন স্বস্থির নিঃশ্বাস। কিন্তু নতুন করে আবারো কঠোর বিধিনিষেধ দেয়ায়, চাকরি হারানোর শঙ্কায় অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি।

প্রবাসী এক বাংলাদেশি চাকরিজীবী জানান, আগে আমরা প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা ডিউটি করতাম। এখন কর্মঘণ্টা ৪ ঘণ্টা করে দেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে যেতে পারে; আমরা শঙ্কায় আছি।

আরেক প্রবাসী বাংলাদেশি চাকরিজীবী জানান, করোনাকালীন স্পেন সরকার আমাদের জন্য প্রণোদনা চালু করেছে। কিন্তু কতোদিন পর্যন্ত এ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে? করোনা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণীর কোনো লক্ষণ এখনো পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছি না।

স্পেনে প্রায় ৬ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৩০ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন।