চাঁদের বুকে ‘রহস্যময় কুঁড়েঘর,এলিয়েনদের বাড়ী নাকী অন্যকিছু!

Online Desk Aminul Online Desk Aminul
প্রকাশিত: ১১:৪১ এএম, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১

চাঁদেরও থাকে কলঙ্ক। কিন্তু তাঁর বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যা আজ যে কোনও শিক্ষিত মানুষের কাছেই রয়েছে। চাঁদের কলঙ্ক হচ্ছে উপগ্রহটির ভূমিতে বড় বড় ক্রেটার অর্থাৎ গর্ত। যা উল্কাপাত ইত্যাদি মহাজাগতিক সংঘর্ষের কারণে সৃষ্টি হয়েছে।
কিন্তু এবারে আর শুধু চাঁদের কলঙ্ক নয়। বরং আরও একটি বস্তু ধরা পড়েছে বিজ্ঞানীদের র্যা ডারে। যা রীতিমত রহস্যজনক।
ধরুন আপনি চাঁদে পাড়ি দিয়েছেন। কিন্তু গিয়ে দেখলেন, ওমা! মানুষ তো আগে থেকেই সেখানে উপস্থিত। যাঁর বাসস্থানস্বরূপ একটি কুঁড়েঘর আপনার চোখে পড়েছে।
এবারে কল্পনার রাজ্য থেকে বাস্তবে ফিরুন। চাঁদের বুকে একটি রহস্যময় বস্তুর সন্ধান পেলো চীন। চীনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইয়াতু-২ রোভার চাঁদের বুকে থাকা এই রহস্যময় বস্তুর সন্ধান পায়। বস্তুটি দেখতে কিছুটা ঘরের মত আকৃতির হওয়ায় চীনা বিজ্ঞানীরা একে ‘রহস্যময় কুঁড়েঘর’ নামে অভিহিত করেছে।
চীনের জাতীয় মহাকাশ প্রশাসনের অনুমোদন প্রাপ্ত চ্যানেল স্পেস.কম এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী চাঁদে পৌঁছানোর প্রায় দুই বছর পর এই রহস্যময় বস্তুর সন্ধান পেয়েছে ইয়াতু-২ রোভার।
স্পেস.কম জানিয়েছে, আচমকা উত্তরের আকাশে এই রহস্যময় বস্তুটি দেখা গিয়েছে। বস্তুটি এমনভাবে আছে দেখে মনে হচ্ছে কুঁড়েঘর। ভন কারমার ক্রেটারে কাজ চালাচ্ছে ইয়াতু-২ রোভার। একে চাঁদের অন্যতম বৃহৎ ও গভীরতম গর্ত বলে দাবি করা হয়েছে। ভন কারমার ক্রেটারে ঘোরাফেরা করছিল রোভারটি। সেই সময়ই উত্তর দিগন্তের দিকে রোভার থেকে ৮০ মিটার দূরে ওই রহস্যজনক বস্তুটি দেখতে পাওয়া গিয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল ইয়াতু-২ রোভার। ২০১৯ সালে ইয়াতু-২ চন্দ্রপৃষ্ঠে সবুজ রঙের জেল জাতীয় পদার্থের সন্ধান পেয়েছিল।