বাংলাদেশ-ভারত ফ্লাইট চালুর সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল

Online Desk Saju Online Desk Saju
প্রকাশিত: ০৬:৩২ পিএম, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২১

আগামী ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ফ্লাইট শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

বৃহস্পতিবার (০২ সেপ্টেম্বর) বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলেন, আশা করছি- আগামী ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ভারতের সঙ্গে ফ্লাইট চলাচল শুরু হবে। দুই দেশের মধ্যে ‘এয়ার বাবল’ চুক্তির আওতায় ফ্লাইট চলাচল করবে।

এর আগে এয়ার বাবল চুক্তির আওতায় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ফ্লাইট চলাচলের তারিখ দুই দফায় পেছানো হয়।  সূত্র বলছে, করোনায় স্বাস্থ্য প্রটোকলের শর্ত নিয়ে জটিলতা দেখা দেওয়ায় নির্ধারিত তারিখে ফ্লাইট চালু সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া কিছু শর্তে আপত্তি ছিল এয়ারলাইন্সগুলোরও।
 
শর্তের বিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান বলেন, শর্তের বিষয়গুলো সার্কুলার দিয়ে জানানো হবে। আশা করছি, আজ (০২ সেপ্টেম্বর) রাতের মধ্যে সার্কুলারটি দিতে পারব।
 
এর আগে গত ২৮ আগস্ট বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানায়, ভারতের সঙ্গে এয়ারবাবল চুক্তির আওতায় ৩ সেপ্টেম্বর থেকে দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল শুরু হবে। কিন্তু এয়ার বাবল চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচলের তারিখ পিছিয়ে যায়। এরপরই আজ বৃহস্পতিবার পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী নতুন এ তথ্য জানান।

দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর গত ১৪ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্থগিত করা হয়। ১৬ দিন বন্ধ থাকার পর ১ মে থেকে ভারতসহ ১২টি দেশ বাদ দিয়ে আবার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়।

পরে গত ৪ আগস্ট বেবিচক সীমিত পরিসরে ফ্লাইট শুরুর জন্য ভারতকে চিঠি দেয়। ‘এয়ারবাবল’ চুক্তির আওতায় গত বছর ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রথম ফ্লাইট শুরু হয়।
 
এর আগে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২২ আগস্ট থেকে ভারতে সঙ্গে ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছিল। বিমান প্রাথমিকভাবে প্রতি রোববার ও বুধবার ঢাকা-দিল্লি-ঢাকা রুটে দুটি ফ্লাইট এবং রোববার ও মঙ্গলবার ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা রুটে দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু পরে তা বাতিল হয়ে যায়। 

ওই সময়, ভারতে ভ্রমণের জন্য টিকিট কিনতে যাত্রীদের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে উল্লেখ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কতৃপক্ষ বলেছিল, 'যাত্রীকে একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ব্যবহার করে একটি রিপোর্টিং ফর্ম পূরণ করতে হবে। তারপর দিল্লি বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে আরেকটি নিবন্ধন, ফ্লাইটে ওঠার ৭২ ঘণ্টা আগে কোভিড-১৯ পরীক্ষা এবং একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে পরীক্ষার রিপোর্ট আপলোড করতে হবে।'