যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে ব্যবহৃত মাস্ক-গ্লাভস-পিপিই, বাড়ছে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি

Online Desk Saju Online Desk Saju
প্রকাশিত: ০১:২২ পিএম, ২১ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্কঃ  করোনাভাইরাস মহামারিতে বিশ্বে ওয়ান-টাইম প্লাস্টিক মেডিকেল পণ্যের ব্যবহার বেড়েছে। মাস্ক, গ্লাভস এগুলো ব্যবহার শেষে যেখানে সেখানে ফেলে দেওয়ার কারণে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। অন্যদিকে, আক্রান্তের সংখ্যা লাখ ছাড়ালেও এখন পর্যন্ত এসব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্বাস্থ্যসম্মত কোনো পদক্ষেপই নেয়নি সিটি করপোরেশন। চিকিৎসকরা বলছেন, কঠিন এই সময়ে মরার উপর খাঁড়ার ঘা হতে পারে এমন উদাসীনতা।  
 
সরজমিনে দেখা যায় যে, ঢাকা শিশু হাসপাতাল প্রাঙ্গনের ভেতরেই যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস এমনকি ব্যবহৃত পিপিই। এসব ব্যবহারের পর পুড়িয়ে ফেলার নিয়ম থাকলেও এমন উদাসীনতা ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয়।

হাসপাতালের উদাসীনতার এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নাগরিক অসচেতনতা।

প্রতিনিয়ত যে হারে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তাতে ভয়াবহ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। বাসাবাড়ির ময়লা আবর্জনাতেও করোনা রোগীর পরিত্যক্ত সামগ্রী মিশে থাকে জীবাণু।  আর এসব বর্জ্য থেকে কোনো প্রকার সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়া খালি হাতে পরিস্কার করেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। তাতে সেই সকল জীবাণু দ্বারা তারা আক্রান্ত হবার সংক্রান্ত বেশী থাকে।
 
এসব বর্জ্য উত্তর সিটির আমিন বাজার ল্যান্ডফিলিং স্টেশনে রাখা হয় সেখানে দেখা যায় স্পর্শকাতর ময়লা আলাদা করে ধ্বংস করা তো দূরের কথা, আগের মতোই স্তুপাকারে ফেলে চলে যায় গাড়ি।

চিকিৎসকরা বলছেন, সংকটকালীন এই সময়ে সামান্য উদাসীনতাও ডেকে আনতে পারে করুণ পরিণতি। অন্যদিকে, শীঘ্রই পরিকল্পিতভাবে বর্জ্য অপসারণ শুরুর আশ্বাস উত্তর সিটির।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক মোস্তফা কামাল রউফ বলেন, প্রথমেই বর্জ্যটা একটা ঢাকনাযুক্ত জায়গায় রাখব। সিটি কর্পোরেশন তাদের জায়গা মতন নিয়ে গিয়ে পুঁতে ফেলবে নাহয় পুড়িয়ে ফেলবে।পাশাপাশি, বর্জ্য থেকে যেন করোনার বিস্তার ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য জনসচেতনতা তৈরিতেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়। 

দুই সিটি মিলে রাজধানীতে প্রতিদিন প্রায় ৬ হাজার ২৫০ টন বর্জ্য তৈরি হয়।