কোমর ব্যথায় ম্যালিগনেন্সি কেন গুরুত্বপূর্ণ

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২২, ০৪:২৯ দুপুর
আপডেট: মে ১০, ২০২২, ০৪:২৯ দুপুর
আমাদেরকে ফলো করুন

স্বাস্থ্যকথা ডেস্ক: কোমর ব্যথার আলোচনাতে আরেকটি বিষয় হলো ম্যালিগনেন্সি। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, এটি একটি বিশেষ অবস্থা, যা দ্রুত খারাপের দিকে যাওয়ার প্রবণতাকে নির্দেশ করে। 

ম্যালিগনেন্সি অথবা টিউবারকিউলোসিস স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ওয়ার্নিং সাইন। এটি দেখা দিলে সতর্ক হতে হবে। একদমই দেরি করা যাবে না। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। 

ম্যালিগনেন্সি বা ক্যান্সারের কারণে যে ব্যাক পেইন হয়ে থাকে, সেটি সাধারণত বয়স্কদের হয় এবং তীব্র ব্যথা হয়। অনেক সময় রাতে রোগী ঘুমাতে পারেন না এবং সাথে সাথে ওজন কমতে থাকে, ক্ষুধামন্দাভাব থাকে। আমরা দেখেছি, অনেক সময় রোগী আমাদের কাছে প্যারালাইস্ট বা অবশ হয়ে যাওয়া নিয়েও আসেন। দেখা যায়, দুই পা তার অচল হয়ে গেছে। 

অনেক সময় দেখা যায়, রোগীর বাউল ব্লাডার সমস্যা হচ্ছে, প্রস্রাব আটকে গেছে অথবা মলদ্বারের নিয়ন্ত্রণ নেই। সুতরাং ম্যালিগনেন্সিও ব্যাক পেইনের সবচেয়ে খারাপ একটি কারণ। 

সুতরাং কোনো বয়স্ক মানুষের ব্যাক পেইন হলে অবশ্যই বাড়তি মনোযোগ দিতে হবে। আমরা দ্রুত ডায়াগনসিস করতে পারলে চিকিৎসায় ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সাধারণত দেখা যায়, বোন্সের এবং ম্যালিগনেন্সির ক্ষেত্রে আমাদের নিজস্ব বোন্সের একটি টিউমার আছে বা ক্যান্সার আছে এটাকে আমরা বলি মাল্টিপল মায়নোমা। 

এছাড়া ছেলেদের ক্ষেত্রে প্রোস্টেট থেকে অনেক সময় মেটাস্টাসিস হয়, কিডনি থেকেও হতে পারে। মেয়েদের ক্ষেত্রে ব্রেস্ট থেকে হতে পারে। সুতরাং বয়স ৬০ বছরের উপরে বা ৫৫ বছর এ রকম সময়ে ক্রনিক একটা ব্যাক পেইন হয়, রাতে ঘুমাতে পারছে না, ওজন কমে যাচ্ছে, খেতে পারছে না, তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। 

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়