প্লাজমা থেরাপিতে সফলতার হার আশি থেকে নব্বই শতাংশ

Online Desk Saju Online Desk Saju
প্রকাশিত: ০৪:১৫ পিএম, ১২ মে ২০২০

কোভিড নাইনটিন থেকে সুস্থ হওয়া  মানুষের রক্তের তরল অংশে জৈবিকভাবেই প্রতিষেধক তৈরি হয়। সেই রক্তরস আক্রান্ত রোগীর শরীরে দিলে সুস্থ হয়ে ওঠেন অনেকেই। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই পদ্ধতির নাম প্লাজমা থেরাপি।  চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অনেক রোগীকে প্লাজমা থেরাপিতে সুস্থ করে তোলা হয়েছে। আর এতে সফলতার হার আশি থেকে নব্বই শতাংশ। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত কোভিড চিকিৎসায় তাই আশার আলো দেখাচ্ছে প্লাজমা থেরাপি। বাংলাদেশেও প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগে কাজ চলছে। 

ভ্যাকিসিন প্রয়োগে, শরীরে রোগ প্রতিরোধ করে। করোনা ভাইরাসজনিত কোভিড নাইনটিন রোগে ভ্যাকসিন আবিস্কারে চলছে গবেষণা। 

টিকা কবে আসবে জানা নেই, তাই ভরসা এন্টিবডি। এ অবস্থায় কোভিড থেকে সুস্থ হওয়া মানুষের প্রতিরোধ ক্ষমতা, আক্রান্তদের দেহে ঢুকিয়ে বিকল্প প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলে রোগ সারানোর পদ্ধতি সফল হয়েছে। 

রক্তের লোহিত কণিকা, শ্বেত কণিকা, প্লাটিলেট আলাদা করার পর, বাকী অংশে থাকা ময়েশ্চার, প্রোটিন, মিনারেল ও  এন্টিবডিসহ তরল অংশটা প্লাজমা। এই অংশে, কোভিড নিরাময়ে জৈবিকভাবে সৃষ্ট প্রতিষেধকের উপস্থিতি খুজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। 

ল্যাব টেস্টে পরিপূর্ণ সুস্থ ঘোষণা করার ১৪ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে কনভালোসন প্লাজমা নেয়া যায়। 

প্রক্রিয়াটি, হুবহু রক্ত পরিসঞ্চালনের মতই। এক জন পূর্ণ বয়ষ্কের প্লাজমা তিনজন রোগীকে দেয়া যাবে। 

এরিমধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনাজয়ী চিকিৎসক ডা. জোয়াদ্দার রানকিন মনজুর নিজের প্লাজমা দান করেছে। এখন, প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগে স্বাস্থ্য অধিদফতরের গাইড লাইনের অপেক্ষয় শেখ হাসিনা বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারী ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা। অবশ্য গেল ১২ এপ্রিল এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে সরকার। 

মহামারি স্প্যনিশ ফ্লু থেকে শুরু এই চিকিৎসার শুরু। এরপর, হেপাটাইটিস বি, প্লেগ, সার্স, মার্স,  ইবোলা চিকিৎসায়ও ফল গিদয়েছে প্লাজমা থেরাপি।