শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলবে বলা যাচ্ছে না: প্রতিমন্ত্রী

Online Desk Saju Online Desk Saju
প্রকাশিত: ০৪:১৭ পিএম, ২৭ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্কঃ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এরপরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে না ইঙ্গিত করে প্রাথ‌মিক ও গণ‌শিক্ষা ‌শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জা‌কির হো‌সেন ব‌লে‌ছেন, করোনার মধ্যে কবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছেনা।

আজ সোমবার (২৭ জুলাই) এডুকেশন রিপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) আয়োজিত অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণের মধ্যে মার্চের মাঝামাঝি থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘ এ বন্ধে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অনলাইন ও সংসদ টিভিকে ক্লাস নেয়া হচ্ছে। তবে আমরা সবাইকে এখানে অর্ন্তভূক্ত করতে পারিনি। এ বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কোন সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি। আর কবে খুলছে তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছেনা। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলা হচ্ছে, এটা সর্ম্পূণ গুজব। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলার সিদ্ধান্ত হলে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে কিংবা তা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, করোনার কারণে চলতি শিক্ষাবর্ষ বাড়িয়ে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ কমিয়ে আনারও পরিকল্পনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বর্তমান শিক্ষাবর্ষ আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টেনে নেয়া যেতে পারে। আর সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলা হলে ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষাবর্ষ শেষ করারও পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে করোনা পরিস্থিতির ওপর।

মহামারি করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এরই মধ্যে ভাইরাসের বিস্তার রোধে দেশের সকল ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সময় তিন দফা বাড়িয়ে আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়।

এর আগে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষা বোর্ড নামক ফেসবুক পেজ থেকে স্ট্যাটাসের মাধ্যমে জানানো হয় 'ঈদের পর সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার।'

তবে এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে সংবাদটি ভিত্তিহীন ও গুজব। এ ধরনের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদের মাধ্যমে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।