পরীক্ষা নাও না হয় জীবন নাও

Online Desk Online Desk
প্রকাশিত: ০৫:৫৪ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১

অনলাইন ডেস্ক: তিন বছর ধরে থার্ড ইয়ারে আছি। ২০১৯ সালের পরীক্ষা আমরা ২০২১ সালে এসে দিচ্ছি। আমাদের বন্ধুরা প্রাইভেটে পড়ে গ্রাজুয়েশন শেষ করে জবে ঢুকে গেছে। আর আমরা অর্ধেক পরীক্ষা দিয়ে আবারও আটকে গেলাম। আমরা চাই চলমান পরীক্ষা নির্ধারিত শিডিউলে নেয়া হোক। আজ বুধবার নীলক্ষেত অবরোধ চলাকালে ঢাকা কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের তৌকির আহমেদ নিজেদের শিক্ষাজীবন দীর্ঘ হওয়ার কথা বলছিলেন। 

শিক্ষার্থীরা জানান, ২০১৫-১৬ সেশনের ২৪ ফেব্রুয়ারির পরীক্ষাটা বাকি ছিল। কিন্তু গতকাল আকস্মিক নোটিশে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার ফলে অনার্স কমপ্লিট হলো না। অপরদিকে ২০১৬-১৭ সেশনের ২৫, ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ৩, ৬ মার্চ পরীক্ষা ছিল।

তিতুমীর কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের কুতুব উদ্দীন বলেন, আমরা একমাস ধরে পরীক্ষা দিচ্ছি। তখন করোনা হলো না। কোন যুক্তিতে আজকের পরীক্ষা স্থগিত হলো। আমরা অনতিবিলম্বে পরীক্ষা দিয়ে গ্রাজুয়েশন শেষ করতে চাই। কর্মসূচি পালনকালে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। দাবি মোদের একটাই, পরীক্ষা চাই। পরীক্ষা কেন স্থগিত প্রশাসন জবাব চাই, রক্ত চাইলে রক্ত নিন তবুও পরীক্ষা নিন। শিক্ষার্থীদের কয়েকজন কাফনের কাপড় পরে রাস্তায় শুয়ে পড়ে। বুকে লাল কালিতে লেখা ‘পরীক্ষা নাও, না হয় জীবন নাও’।

সিরাজগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায়

২ স্কুলছাত্র নিহত

অনলাইন ডেস্ক: সিরাজগঞ্জে ইটভাঙা মেশিনের একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুই স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫ শ্রমিক। আজ বুধবার সকালে সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের ডুমুর চৌরাস্তা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার দেউজি গ্রামের রাকিবুল ইসলামের ছেলে নবম শ্রেণির ছাত্র মেহেদি (১৫) ও একই গ্রামের শামীমের ছেলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র নাঈম (১৪)। 

স্থানীয় ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলাম জানান, স্কুল ছুটি থাকার কারণে কয়েকজন স্কুলছাত্র ইটভাঙা শ্রমিকের কাজ করত। তারা ইটভাঙার মেশিনে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় ডুমুর চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছালে ওই গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে গাছের সাথে ধাক্কা খায়। এতে ৭ জন শ্রমিক আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মারা যায় মেহেদী এবং বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে নাঈমের মারা যায়।  সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাহাউদ্দিন ফারুকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।