পাহাড়ে হানাহানি

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৮:৪৬ পিএম, ১৮ অক্টোবর ২০২০

পাহাড়ি রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর হানাহানি পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশকে বিষিয়ে তুলছে। সেখানে রক্তপাতের ঘটনা ঘটেই চলেছে। যখন মহামারির দুর্যোগে সারা বিশ্ব বিপর্যস্ত, তখনো পাহাড়িদের উপদলীয় কোন্দলে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা। খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, অপহরণসহ যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের স্বাভাবিক জীবনের জন্য পরিপন্থি। বলার অপেক্ষা রাখে না, যখন প্রতিনিয়তই একের পর এক হত্যাকান্ডের ঘটনাসহ নানা ধরনের অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটছে-তখন তা অত্যন্ত আশংকাজনক বাস্তবতাকে স্পষ্ট করে। আমরা মনে করি, এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কেননা এ ধরনের অপকর্মকে প্রতিহত করা না গেলে সর্বস্তরে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। পাহাড়ে দিন দিন বাড়ছে সংঘাত। প্রতিনিয়ত  রক্তে রঞ্চিত হচ্ছে সবুজ পাহাড়। খুন হচ্ছে একের পর এক। দীর্ঘ হচ্ছে লাশের মিছিল।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য মতে, আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর অভ্যন্তরীণ ২০১৯ সালের ২ জানুয়ারি থেকে পার্বত্য এলাকায় গত ২২ মাসে ৩৩ নারী পুরুষ খুন হয়েছে। পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর নেতাদের ব্যক্তি স্বার্থের কারণেই খুনোখুনি লেগেই আছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদী পাহাড়ি সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর হানাহানি সাধারণ মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। এদের কোনো কোনো গ্রুপ বিদেশি রাষ্ট্রের মদদপুষ্ট হয়ে পার্বত্য অঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করার নীল নকশা বাস্তবায়নে লিপ্ত। এদের সমূলে উৎখাত করতে হবে। পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের সম্মুখীন করার পাশাপাশি সন্ত্রাসী দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পদক্ষেপ নেবে আমরা এমনটিই দেখতে চাই।