জালনোট চক্রের দৌরাত্ম্য

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৭:২৮ পিএম, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

বেপরোয়া হয়ে উঠছে জাল নোটের কারবারিরা। আসন্ন ঈদুল আজহা ঘিরে ঢাকাসহ সারাদেশে এদের অন্তত ২৫টি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে বলে গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে। গ্রুপের সদস্যরা বড় বড় শহরে জাল টাকা ও রুপি সরবরাহ করছে। তবে তারা রাজধানীতে বেশি সক্রিয়। মহল্লার বাজার, নামি দামি শপিং মল এমনকি এটিএম বুথেও জাল টাকা পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে বেশ কয়েকজন জালনোটের কারবারিকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে বাংলাদেশি কারবারিদের সঙ্গে ভারতের একাধিক জাল নোট প্রস্তুত কারক চক্রের যোগাযোগের তথ্য পেয়েছে। অনেকেই জামিনে বের হয়ে একই অপকর্ম করছে। জাল নোট চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়। কিন্তু মামলার দুর্বলতায় জালিয়াতরা সহজেই জামিন পেয়ে যায়। পুলিশ এ ব্যাপারে যাদের সাক্ষী করে প্রায়শই তাদের খোঁজ পাওয়া যায় না। ফলে মামলার নিষ্পত্তি অসম্ভব হয়ে পড়ে। ধরা পড়া জাল টাকা যে জাল টাকায় অতি ক্ষুদ্র অংশ তা সহজেই অনুমেয়। দেশের অর্থনীতি ও জননিরাপত্তার স্বার্থে জালনোট তৈরি ও বিপণনের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। জালনোট তৈরি করা স্পষ্টত প্রতারণা, ধোঁকাবাজি ও জুলুমের শামিল। যারা এ অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তারা সমাজ ও রাষ্ট্রের দুশমন। এদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।