সোনা চোরাচালান

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ০১, ২০২০, ০৪:৪৯ দুপুর
আপডেট: সেপ্টেম্বর ০১, ২০২০, ০৪:৪৯ দুপুর
আমাদেরকে ফলো করুন

প্রায় প্রতিদিনই দেশের কোন না কোন বিমানবন্দর কিংবা স্থলবন্দরে সোনা চোরাচালানের ঘটনা ঘটছে। এতে চোরাচালানিরা ধরা পড়ছে আবার কখনও তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। বিভিন্ন সময় এসব নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও সোনা চোলাচালান বন্ধ করা যাচ্ছে না। চোরাচালানিরা বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। আমাদের প্রশ্ন, কেন সোনা চোরাচালানিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না? কখনও কখনও শুধু সোনা চোরাচালানের বাহকরাই আটক হয় কিন্তু পর্দার আড়ালের মুল গডফাদাররা থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে। বেনাপোল সীমান্ত পথে ভারতে পাচারের সময় ৯ কেজি ২৭ গ্রাম ওজনের ৫৭ পিস সোনারবারসহ বানেযা বেগম নামে এক নারী চোরাকারবারীকে আটক করেছে বিজিবি। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে সোনার চোরাচালানসহ নারীকে আটক করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা বলে জানা গেছে। সে বেনাপোল পৌরসভার সাদিপুর গ্রামের দুখে মিয়ার স্ত্রী। দেশে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ সোনার চোরাচালান আসছে। দেশের অর্থনীতিতে যা বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলবে। কারণ বিদেশ থেকে আসা সোনার বিপরীতে পাচার হয়ে যাচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা। যে অর্থ ব্যয় হতে পারত উৎপাদনশীল খাতে তা ব্যয় হচ্ছে অনুৎপাদনশীল খাতে। সোনা চোরাচালানিদের রয়েছে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক। দুর্বৃত্তদের সঙ্গে অনেক সময় বন্দরে কর্মরতদের যোগসাজসের প্রমাণও পাওয়া যায়। বিভিন্ন সময় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের আটক করলেও আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে জেল হাজত থেকে বের হয়ে তারা যেন অপরাধমূলক কাজ চালিয়ে যায়। এ অবস্থা চলতে দেওয়া যাবে না। কঠোর হাতে সোনা চোরাচালান রোধ করতে হবে। আমরা কোনমতেই চাইনা, আমাদের প্রিয় স্বদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধীচক্রের লীলা ভূমিতে পরিণত হোক।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়