দুর্যোগের ধকলে নাকাল মানুষ

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৮:১৭ পিএম, ৩০ জুলাই ২০২০

নার্গিস জামান: দুর্যোগের ধকল সইতে  সইতে অস্থির আর নাকাল হয়ে গেছে মানুষ! ভোরের সূর্যই বলে দেয় দিনটি কেমন যাবে! তেমনি বছরের শুরুটাই যেন বলে দিয়েছে,বছরটি কেমন যাবে! এরকম হয়না সচরাচর। বছরে দু’একটি দুর্যোগ আসতেই পারে,এটি স্বাভাবিক। কিন্তু বিশ সালটি যেন ব্যতিক্রম! শুরু হলো করোনা দিয়ে, এলো আম্ফান, তারপরে দফায় দফায়, তৃতীয় দফা চলছে বন্যা! করোনাও গেল না,বন্যাও ফিরে ফিরে আসছে; মানুষ আর কতই মোকাবেলা করবে! খাদ্য, পানি আর বাসস্থানই যদি না থাকে মানুষ লড়বে কি নিয়ে, মোকাবেলা করবে কিভাবে! দু’টো ঈদই এলো দুর্যোগকালীন সময়ে। মানুষের আনন্দিত হবার জো নেই এই প্রতিকূল পরিবেশে!

বন্যার কারণে চোখের সামনে বিলীন হলো পদ্মায়,চরের বাতিঘর খ্যাত বহুতল বিদ্যালয় ভবনটি।মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার চরাঞ্চলে এইইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়টি গত ২২ জুলাই তারিখ মাঝ বরাবর দ্বিখি ত হয়ে হেলে পড়ে এবং ২৩ জুলাই তারিখে সেটি নদীর উত্তাল বেপরোয়া অতল জলে তলিয়ে যায়। হায়রে নদীর ভাঙন! ভাঙনের রূপ এমনই যে নদী থেকে চারকিলো দূরের তিনতলা স্কুলটিকেও ভাঙতে ভাঙতে এগিয়ে এসে গ্রাস করে নিল পদ্মা! “সর্বনাশা পদ্মা রে তুই তোর কাছে সুধাই, বল আমারে তোর কি রে আর কুল কিনারা নাই...!”
প্রতিদিন গণমাধ্যমে সংবাদ আসছে, দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি। নদীগুলোর পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে ভাঙন। বন্যা পূর্বাভাষ ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সতর্ক করেছে গণমাধ্যমে,পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে। তৃতীয় দফায় আক্রান্ত মানুষেরা আর সামলে উঠতে পারছে না। খাদ্য ও পানির চরম সংকটে পড়েছে। তারা পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।বাড়িঘর পানিতে ডুবে যাওয়ায় লোকজন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। দেখা গেছে অনেক বাড়িঘর প্রায় পুরোটাই তলিয়ে আছে পানির নিচে।কেউ কেউ চালে উঠে বসে আছে। শিক্ষিত অশিক্ষিত,গরীব ধনী সবাই একাকার হয়ে বাঁধের উপরে কোনরকম জীবন ধারণ করছে। আবাসস্থল আর নিরাপদ আশ্রয়ের পার্থক্য আসলে এটাই।আবাস যত মজবুতই হোক না কেন পরিবেশ সম্মত না হলে সেটি নিরাপদ নয়।
গরিব তৈরির কারখানা যেন নদীর ভাঙন! নদীভাঙা জেলাগুলোর মধ্য তিস্তাপারের কুড়িগ্রাম অন্যতম। যেখানে ৭২ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪০ টিই নদী ভাঙন আর বন্যার কবলে। তারমধ্য উলিপুর উপজেলা উল্লেখযোগ্য। যেখানে ১৪ টি ইউনিয়নের ৮ টিই নদী ভাঙন কবলিত অঞ্চল। এখানে প্রতি বছর নদী ভাঙনের কবলে প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার সবল পরিবার বাস্তুহারা হয়ে গরিবের তালিকায় চলে যায়। এভাবে বছরের পর বছর নদী ভাঙনের  ফলে বটবৃক্ষের মত ছায়া দেয়া পরিবারগুলো হারিয়ে যাচ্ছে নদীর গর্ভে। সাথে সাথে বৃদ্ধি হচ্ছে গরিবের সংখ্যা। হত দরিদ্রের সংখ্যা। বহু পরিবার নদী ভাঙনের পরে আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। নদী ভাঙনের ক্ষত বুকে নিয়ে হাতড়ে ফিরছে তিস্তা পারে। এই চিত্র দেশের সকল নদী ভাঙন এবং বন্যাকবলিত এলাকার।

বন্যা এক ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগ। বাংলাদেশের বন্যা সংঘটনের জন্য দায়ী কারণগুলির মধ্যে রয়েছে নিম্ন উচ্চতাবিশিষ্ট ভূসংস্থান, ভারী বৃষ্টিপাত, হিমালয়ের তুষার গলন, নদনদীর তলদেশ ভরাট, উজানের ঢল প্রভৃতি।একজন গবেষক ও প্রকৌশলী বলেন,ভীতিকর তথ্য হলো,বৈশ্বিক তাপমাত্রা মাত্র ২ ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়লে বাংলাদেশের বন্যাজনিত ভূমির পরিমাণ ২৩ থেকে ২৯ শতাংশ বেড়ে যাবে বলে এক গবেষণায় দেখা যায়।’ অথচ,কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) এর তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তন নিম্নাঞ্চলগুলোতে বন্যার মাত্রাকে বাড়িয়ে দিচ্ছে দিনকে দিন। ঞযব রহঃবৎমড়াবৎহসবহঃধষ ঢ়ধহবষ ড়হ পষরসধঃব পযধহমব (ওচঈঈ) এর পঞ্চম মূল্যায়ন রিপোর্ট অনুযায়ী গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণের বর্তমান মাত্রা কমানো না গেলে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২১০০ সালে বর্তমানের চেয়ে প্রায় ৩’৭-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাবে। এবং এতে করে গ্রীষ্মকালের উচ্চ তাপমাত্রার দিনের পরিমাণ বেড়ে যাবে এবং শীতকালের দিনের পরিমাণ কমে গিয়ে দিনপ্রতি বৃষ্টিপাতেরও পরিমাণ বেড়ে যাবে ফলে বর্ষাকালে বন্যার প্রকোপ বাড়তেই থাকবে। এর ব্যাখা দাঁড়ায় সামনে হয়ত এমন কিছু অপেক্ষা করছে যার জন্য আমরা প্রস্তুত নই। অথচ প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন। সরকারের এ বিষয়গুলো খেয়াল রেখে আগামী বন্যাগুলো

মোকাবেলার জন্য টেকসই ও সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমাদের জরাজীর্ণ নিষ্কাশন ব্যবস্থা মানুষের জীবন ও সম্পদকে করে তোলে আরও ঝুঁকিপূর্ণ।”আমাদের দেশটি সমুদ্রের কোলের একটি বদ্বীপ হওয়ায়,স্বভাবতই এটি নিম্নাঞ্চল। উত্তরে হিমালয় থেকে নদীগুলো নিম্নাঞ্চল বেয়ে সমুদ্রে গিয়ে মিলিত হবার ফলে প্রায়শই উজানের ঢলে ভেসে যায় দ্বীপটির মানুষ ও সম্পদ। নদীগুলো পলি পড়ে ভরাট হয়ে চরের সৃষ্টি হওয়ায় পানির প্রবাহ ব্যাহত হয়ে উপচে গিয়ে এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। শুধু প্রকৃতিগত কারণই নয়, বরং মানব সৃষ্ট নদীমুখের বাঁধও এর জন্য দায়ি বহুলাংশে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলো বার বার এই আঘাত সইতে সইতে যেন স্তব্ধ আর বাকরুদ্ধতায় অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে। বন্যায় ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষক ও কৃষি। যা অভিনব ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে কাটিয়ে উঠতে না পরলে করোনাকালে ভয়াবহ খাদ্যঘাটতি ও বিপর্যয়ের সৃষ্টি করবে। আমরা জানি ইতিমধ্যেই বহু মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। লাখ লাখ মানুষ ঢাকা ছেড়ে গ্রামে ফিরেছে কপর্দকহীন অবস্থায়।রেমিটেন্সের বড় একটি শ্রমিক অংশ দেশে এসে আটকা পড়েছে করোনাকালে। চারদিকে বেকার, অর্থের আর খাদ্যের হাহাকার চলছে। এমতাবস্থায় দুর্যোগে কৃষি ক্ষেতগুলোও বিপর্যস্ত।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী চলমান বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমনের বীজতলা। এখন প্রয়োজন বিকল্প বীজতলা তৈরি করা। অথচ চারিদিকে থৈ থৈ পানি! এ ব্যাপারে কৃষককে দ্রুত স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নিতে হবে।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসেছে, এক কৃষক মাথায় হাত দিয়ে বসে আছেন ক্ষেতে। পাঁচ লাখ টাকার সবজি ক্ষেতেই পঁচে গেছে তার বন্যার জল উঠে। এ ক্ষতি পুষিয়ে দেবে কে? এরা যেন সঠিকভাবে আর্থিক সহযোগিতা পায় পুনরায় ফসল ফলাতে, সরকার তা দেখবে বলে প্রত্যাশা তৃণমূল কৃষকের। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ রকম মোট ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৪ হাজার বলে জানা গেছে এবং বন্যায় ফসলের ক্ষতি ৩৪৯ কোটি টাকা। ক্ষতির মধ্যে আউশ, আমন, সবজি, পাট। সংবাদ মাধ্যমে আরও জানা গেছে,  চরাঞ্চলের বিঘা বিঘা বাদামও নষ্ট হয়েছে। ক্ষতির মুখে পশুসম্পদ ও খামারিরাও। তাদের আশার প্রতিফলন ঘটছে না এই দুর্যোগের কারণে পত্রিকায় এসেছে, বন্যায় বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা। পানি বেড়েছে ১১ নদনদীর বিপদসীমার ওপরে ১৮ টি।” বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, এখন রাজধানীর নিচু এলাকাগুলোর দিকে বন্যা ধেয়ে আসছে এবং মধ্যাঞ্চলের জেলাগুলোতে অবনতি হচ্ছে। গত ১৯৯৮ সালের বন্যা ছিল সব থেকে দীর্ঘতম বন্যা। ১৯৮৮ সালের বন্যা ভয়াবহ হলেও তার স্থায়ীত্ব ছিল,মাত্র দুই সপ্তাহ। এবারের বন্যা স্থায়ীত্বের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে এখনো।

গত ২৭ জুলাই গণমাধ্যমে এসেছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশে ত্রাণের কোন সংকট নেই।”এটি খুবই আশাব্যঞ্জক সংবাদ। তবে করোনার ত্রাণ বিতরণের মতো অনিয়ম না হলে হয়ত বিপর্যয় কিছুটা হলেও কাটিয়ে ওঠা যাবে। গত ৮ জুলাই একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের ৪২ টি জেলায় ৪৩২ টি বহুমুখী বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। তার মধ্যে ১৫৩ টি তৈরি হচ্ছে বন্যাপ্রবণতা কম এমন জেলাগুলোতে। এসব আশ্রয়স্থলের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষদের বসত বাড়িটি যেন শুধুমাত্র আবাসস্থল না হয়ে বরং তাদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থলও হয়, এরকম একটি গৃহনির্মাণ নির্দেশনা বা নকশা সরকার কর্তৃক করা গেলে তা হবে টেকসই ও স্থায়ী সমাধান। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মহসিন বলেছেন, আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা আমরা অনেক বাড়িয়েছি।এ পর্যন্ত ১৬০৩ টি করা হয়েছে। যা আগের বছরে কম ছিল। যাতে করোনার কারণে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করা যায়।” বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্রের আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া বলেছেন, আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে বন্যার পানি কমতে শুরু করতে পারে। বিবিসির এক সংবাদে প্রকাশ, সরকারি হিসেবে ৩১, এই বন্যায় এ পর্যন্ত ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একটি পত্রিকায় এসেছে,বন্যায় নববধূ ‘বন্যার’ মৃত্যু। দুঃখজনক সংবাদ এসব। এই মৃত্যুগুলো পানিতে নিমজ্জিত হয়ে হচ্ছে।

তাছাড়াও ভয়াবহ রূপ ধারণ করে এ সময়,সাপের কামড়ে মৃত্যু। যতটা সম্ভব সাবধান থাকতে হবে।এ সময় মানুষের মতো প্রাণিদেরও চলে জীবনের লড়াই। তাই মারমুখি ওরাও। সাপে কাটলে করণীয় *ঘাবড়ানো যাবে না। ক্ষতস্থান আস্তে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। ক্ষতস্থান নড়ানো যাবেনা, পায়ে কামড়ালে হাঁটা যাবে না এতে বিষ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সাপ বিষাক্ত হোক বা না হোক সে বিবেচনায় সময় নষ্ট না করে দ্রুত হাসপাতালে যেতেই হবে। দ্রুত হাসপাতালে যাওয়ার উপরে নির্ভর করে জীবনের নিরাপত্তা। সাপে কাটা স্থান ব্লেড দিয়ে কেটে রক্ত বের করা যাবে না চুষে রক্ত বের করার চেষ্টা করা যাবে না। ক্ষতস্থানে কিছু লাগানো যাবে না। তাবিজ,কবচ,ওঝার পিছনে সময় নষ্ট করা যাবে না। এক গবেষণায় দেখা গেছে, সাপ কামড়ানোর পর ৮৬ শতাংশ মানুষ ওঝার কাছে যায় আর ৩ শতাংশ যায় চিকিৎসকের কাছে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত মূর্খতা ও কুসংস্কার মাত্র। সর্বোপরি সাপে কাটলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। এটাই একমাত্র চিকিৎসা।এই বন্যার সময়ে যেন গ্রামে গঞ্জে হাসপাতালগুলোতে সহজেই এন্টিভেনম পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করতে দৃষ্টি রাখতে হবে সরকারকে।

মৃত্যু, জীবনের অনিরাপত্তা,খাদ্য সংকট, বাসস্থান সংকট, চিকিৎসা-ঔষধ সংকট, কৃষিও পশুসম্পদ বিনষ্ট, এমন কি বাস্তুভিটা হারিয়ে বাস্তুসংস্থানহীন যাযাবর যারা, তাদের তো ঘরবাড়ির সাথেই ডুবে গেছে ঈদের আনন্দটুকুও! কত শিক্ষিত, সচ্ছল পরিবারও বাস্তুভিটা হারিয়ে অসহায়ের কাতারে সামিল হয়ে বাঁধের রাস্তায় পলিথিনের ঘেরে বসে সর্বস্বান্ত হাতটি মাথায় রেখে কিংকর্তব্যবিমূঢ়, স্তব্ধ হয়ে গেছে! তাদের আবাসস্থল পুনরায় তৈরি করতে সাহায্যের প্রয়োজন। আমরা নিরাশ হতে চাই না,নিশ্চয় সরকার কঠিন মনিটরিং এর মাধ্যমে অসহায়দের পাশে দাঁড়াবেন, সকল অনিয়মকে রুখে দিয়ে পৌঁছে দেবেন ঈদের খুশি ঐসব অসহায় আর্ত মানুষের ঘরে ঘরে। এবং সকল জনগণের প্রাণের দাবি বলে প্রতীয়মান,এই করোনাকালে; বন্যার দুর্যোগেও যারা তাদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেললো সেই রিজেন্ট হাসপাতালের শাহেদ, স্বাস্থ্যখাত গিলে খাওয়া মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠু, যুবলীগের পাপিয়া, অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের শারমিন, রিপোর্ট কেলেঙ্কারির জেকেজির সাবরিনা সহ সংশ্লিষ্ট সকল প্রতারক যেন যথাযথ শাস্তি পায় প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায়।
লেখকঃ শিক্ষক- প্রাবন্ধিক
০১৭৩০২৬৪৪৯৭