চাঁদাবাজদের দৌরাত্মে জিম্মি পরিবহন শ্রমিকরা

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৭:১৬ পিএম, ২৯ জুন ২০২০

একে তো নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত করোনার দুর্যোগে পরিবহণ শ্রমিকরা। তার মধ্যে হরহামেশা তাদের উপর হানা দিচ্ছে অসৎ চাঁদাবাজরা। প্রতিদিন বখরা কিংবা চাঁদার জন্য নাজেহাল হতে হচ্ছে। এ যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো। মহানগরের সর্বত্র করোনা মহামারিতেও সড়ক পরিবহনে চলছে ব্যাপক চাঁদাবাজি। রাজধানীর টার্মিনালগুলোতে সক্রিয় চাঁদাবাজ চক্রের কাছে জিম্মি পরিবহন শ্রমিকরা। চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করে মালিক সমিতি আর শ্রমিক নেতারা বলছেন, অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় ইতিমধ্যে সাংগঠনিকভাবে বেশ কয়েকজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর পরিবহন চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথা জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতর। সংক্রমণের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করা আয়ের টাকা এভাবেই তুলে দিতে হচ্ছে চাঁদাবাজদের হাতে। রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে চাঁদাবাজ চক্রের দৌরাত্ম্যে দিশেহারা পরিবহন শ্রমিকরা। মহামারির এমন সময়ে যানবাহনে নির্ধারিত পৌর করের বাইরেও চলছে বাড়তি টাকা আদায়। টাকা দিতে না পারলে ঘটছে শ্রমিকদের মারধর, হয়রানি আর নির্যাতনের ঘটনা। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব বলেন, পরিবহন সেক্টরের ও পরিবহনের বাইরের লোক আছে যারা এ পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি করে। চাঁদাবাজিটা এক শ্রেণির অসৎ ব্যক্তির চিরাচরিত পেশা। এ পেশাতে তারা বেশ স্বস্তি বোধ করে। হাত পাতলেই চলে আসে টাকা। কঠোর শ্রম ব্যতীত আয় আসাটা যে কতটা আয়েশের- এত সহজ পেশায় যারা জড়িত তারা মজাটা উপলব্ধি করতে পারে। তাই অভ্যস্তরা কি ছাড়তে চায় এমন পেশা ? স্বভাব তো আর বদলায় না, বদস্বভাবের লোকগুলোকে দমনের ব্যাপারে সোচ্চার হতে হবে। শীঘ্রই অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধের ব্যাপারে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া অত্যাবশ্যক।