স্বাস্থ্য খাতে শুদ্ধি অভিযান

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৭:০২ পিএম, ২৭ জুন ২০২০

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ক্রান্তিকালে স্বাস্থ্য বিভাগ যথেষ্ট তৎপর তাদের কর্তব্য পালনে। এমতাবস্থায় কিছু সংখ্যক কর্মকর্তার দুর্নীতি দেশবাসিকে ভাবিয়ে তুলেছে। সে জন্য সরকার সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন। তাই সরিয়ে দেয়া হচ্ছে স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ডজনখানেক কর্মকর্তাকে। এর মধ্যে বদলি করা হয়েছে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের বেশ কয়েকজনকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘটনার তদন্ত না করে শুধু বদলি লোক দেখানো ছাড়া আর কিছুই নেই। এদিকে দুদক বলছে, কেন এই কর্মকর্তাদের বদলি করা হচ্ছে, সে বিষয়েও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে তথ্য চেয়েছে তারা। অব্যবস্থাপনার আতুড়ঘরে পরিণত হয়েছে দেশের স্বাস্থ্যখাত। করোনার মতো মহাদুর্যোগে বের হয়ে আসছে বছরের পর বছর ধরে চলা সিন্ডিকেটের গোমর। শৃঙ্খলা ফেরাতে শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত থাকবে। তালিকায় আছেন ডজনখানের কর্মকর্তা। চলতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক পরিচালকসহ ৪ কমকর্তাকে সরানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ে রদবদল হয়েছে সচিব ও অতিরিক্ত সচিবকে। অধিদপ্তরের বদলিকৃত পরিচালকের বিরুদ্ধে কেনাকাটায় ও পরিকল্পনায় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র বদলির মাধ্যমে যেন দুর্নীতির ঘটনাগুলো চাপা পড়ে না যায়। এননাইন্টি ফাইভ মাস্কের মত ঘটনাগুলো সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা উচিত। এটা যদি শুধুই রদবদল হয় তাহলে এ ক্ষেত্রে ঝুঁকির সম্ভাবনা রয়েছে।  তবে দুদক বলছে, তাদের সুপারিশে এসব কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়নি। বরং কেন বদলি করা হচ্ছে, সেটিই তারা জানতে চাইবে। বদলি কোনো রিফর্ম ইন্ডিকেট করে না।