আত্মমর্যাদার চেতনা জাগরূক হোক

আতাউর রহমান মিটন 

প্রকাশিত: নভেম্বর ২২, ২০২২, ১০:০০ রাত
আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০২২, ১০:০০ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

কী হতে যাচ্ছে আগামী ১০ ডিসেম্বর? সবার মধ্যে চাপা কৌতুহল, উদ্বেগ এবং দুশ্চিন্তা! আদার বেপারীর অবশ্য জাহাজের খবর না নিলেও চলে, তবু মনের ভেতর কৌতুহল উঁকি মারে! শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের আশ্বাস যে কোন সময়ে অশান্তিতে ভরে উঠতে কতক্ষণ! যে কারও প্ররোচনাতেই অশান্তির সেই আগুন জ্বলে উঠতে পারে। দুশ্চিন্তা সে কারণেই। একদিকে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা অন্যদিকে জনজীবনে নিরাপত্তাহীনতা ও বিশৃঙ্খলার ভয়! আমজনতার উপায় কৈ?

ক্ষমতায় কে থাকবে আর কে আসবে তা নিয়ে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের কিছু যায় আসে না। আমেরিকাতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে জো বাইডেন ক্ষমতায় এসেছে। তাতে আমেরিকার সাধারণ মানুষের জীবনে কী পরিবর্তন হয়েছে? এখানেও যদি অন্য কোন দল ক্ষমতায় আসে তাহলে মানুষের ভাগ্যে কী কোন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে বলে মনে হয়? সবাই তো গণতন্ত্র সুরক্ষা, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাসের কথা বলছেন কিন্তু অতীতের কোন সরকারের আমলে আমরা সেটা দেখতে পেয়েছি? আমরা তিনটি প্রধান দলের দ্বারা গত ৫১ বছর শাসিত হয়ে আসছি। উন্নতি সব সরকারের আমলেই কিছু না কিছু হয়েছে কিন্তু দরিদ্রমুখীন, বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শাসনকাঠামোর পরিবর্তন দেখেছি কারও আমলে? মূল জায়গাটা যদি না বদলায় তাহলে ক্ষমতায় আসীন প্রশাসক এর চেহারা বদলে লাভ কী?

বাংলাদেশের রাজনীতির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ‘ক্ষমতা যার মুল্লুক তার’! আজ যদি আমার ভাই ক্ষমতায় থাকে তাহলে আমি বা আমার পরিবারের আঙুল রাতারাতি ফুলে যাবে, আর যদি ক্ষমতায় সামনের বাড়ির ভাই থাকে তাহলে মুল্লুকটা হবে তাদেরই আর তখন তাদের কুঁড়ে ঘরে নির্মিত হবে রাজপ্রাসাদ। যে এখন মোটর সাইকেলের তেল কিনতে হিমশিম খাচ্ছে সে তখন হ্যারিয়ার বা মার্সিডিজ গাড়ি হাঁকাবে। তাদের গাড়ির ধুলায় মুখ ঢেকে যাবে পথের পাশে হেঁটে চলা জব্বার, সখিনা, করিমনদের! এভাবেই তো চলছে দেশ! কোন সরকারের আমলে এর ভিন্নতা দেখা গেছে? যায়নি। কারণ সরকারী দল বদল হয়েছে কিন্তু লুটপাটের চেরাগটার বদল হয়নি, মালিকানা পরিবর্তন হয়েছে মাত্র। টেকসই পরিবর্তন এর জন্য ক্ষমতা কাঠামোয় পরিবর্তন আনতে হবে। সরকার পরিচালনার যে মূল দর্শন সেখানে পরিবর্তন লাগবে। সাধারণ মানুষের কল্যাণ হয় এমন কর্মসূচীগুলোতে অধিকতর অগ্রাধিকার এবং বরাদ্দ দিতে হবে।

বাংলাদেশে ক্ষমতা ব্যবস্থাপনার (দল নয়) বদল হয়না বলেই দেশের সিংহভাগ মানুষ যখন অর্থকষ্টে খাবার কেনা কমিয়ে দেয়, কোনরকমে টিকে থাকাটাই যেখানে বিরাট এক জনগোষ্ঠীর জীবনে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়, সেখানে কিভাবে সরকার তার দুই শীর্ষ আমলার জন্য বাড়ি বানাতে প্রায় ৪৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করে! এক বাড়িতে ৭টি বড় বড় স্ক্রীনের টিভি, একই বাড়িতে দুটি সুইমিং পুল, ইত্যাদি, ইত্যাদি বিলাসিতার পরিকল্পনা করে! ব্রুনাই, ব্রিটেন বা মধ্যপ্রাচের রাজ পরিবারের মত করে আমার দেশের শীর্ষ আমলার জন্য এত বিলাসী আয়োজন কিসের ইঙ্গিত বহন করে? ডিজেল কেনার পয়সা নাই, তাই বিদ্যুৎ সঙ্কট, টাকার অভাবে যখন ভর্তুকি মূল্যে খাবার সরবরাহ করা যাচ্ছে না তখন সরকারের এইসব পরিকল্পনায় তো কোন ব্যয় সংকোচন বা ব্যয় কমানোর লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এটা কিসের ইঙ্গিত?

বাংলাদেশের মানুষ নবান্নের এই সময়েও সুখে নেই। কমেনি চালের দাম। শীতের সব্জি বাজারে তবু দাম আকাশ ছোঁয়া। অজুহাত পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির। ডিজেল এর দাম না কমায় পরিবহন ব্যয় কমছে না এটা আমরা সকলেই এখন জানি। মাছ, মাংস এবং ফল এখন দেশের বেশিরভাগ মানুষের কাছে বিলাসী খাবার। মানুষ এখন নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবারের চাইতে সস্তার খাবার কিনছে। আটার দাম বেড়েছে তাই পাউরুটি খাওয়ার সাধ্যও ছোট হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে দেশের স্বল্প আয়ের মানুষের মধ্যে অনুপুষ্টি ঘাটতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব হিসেবে কমে যাবে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, কমবে কর্ম ক্ষমতা এবং বাড়বে স্বাস্থ্য ব্যয়। স্বাস্থ্যের এই ব্যয় যেমন ব্যক্তির হিসেবে বাড়বে তেমনি বাড়বে সরকারেরও। আর মেধা ও দক্ষতাহীন জনগোষ্ঠী যদি দেশে বেড়ে যায় তাহলে সেটা অন্য ধরনের সামাজিক সমস্যাও তৈরী করবে। সরকারকে তাই খাদ্যের ব্যাপারে আরও বেশি মনোযোগী হবার অনুরোধ জানাই।

আমি আমার প্রায় প্রতিটি লেখাতেই ভর্তুকি মূল্যে খাবার সরবরাহ করার দাবী জানিয়ে আসছি। ‘ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়’, তাই মানুষের খাদ্যের প্রাপ্তি নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। দেশে দুর্ভিক্ষ হবে না বলে গত ১১ নভেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতিকে সান্ত্বনা দিয়েছেন। কিন্তু তিনি এটা বলেননি দুর্ভিক্ষ না হলেও দেশের মানুষ যে এখন খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে সেটার মোকাবেলা কিভাবে করা হবে। যদিও তিনি পুনরায় বলেছেন, দেশের এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদী রাখা যাবে না কিন্তু তার জন্য সরকারের কৃষি বিভাগ বা সংশ্লিষ্টদের দৃশ্যমান উদ্যোগটা ঠিক কোথায়? তারা কি গ্রামে গ্রামে উঠোন বৈঠক করে বাড়ির নারীদের সম্পৃক্ত করে কিভাবে সব্জি চাষ বাড়ানো যায় সে ব্যাপারে পরামর্শ দিচ্ছেন? তারা কি বাড়ির নারীদের সব্জি বীজ বা চারা দিয়ে সহযোগিতা করছেন? না করে থাকলে এটা দ্রুত করা দরকার।

বেসরকারি সংগঠনগুলোকেও এ ব্যাপারে কাজ শুরু করতে হবে। যারা স্বেচ্ছাসেবী আছেন, যারা সমাজ নিয়ে, মানুষ নিয়ে ভাবেন, তাদের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চান, তাদেরকেও এই প্রয়াসে এখনই নামতে হবে। ক’দিন বাদেই স্কুলগুলোতে বাৎসরিক পরীক্ষা শেষ হবে। প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উচিত ছুটির এই সময়টাতে তাদের শিক্ষার্থীরা যেন নিজেদের বাড়িতে সব্জি চাষ করে এবং শ্রেণী শিক্ষকের কাছে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তেমন একটা কর্মসূচী গ্রহণ করতে হবে।

আমার মূল কথাটা হচ্ছে, আসন্ন সঙ্কট মোকাবেলায় আমাদের সকলকে স্বেচ্ছাব্রতী মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। যারা ইতোমধ্যে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত আছেন তাদেরকে খাদ্য ও গ্রামীণ পুষ্টি নিরাপত্তায় কাজ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বলা বাহুল্য, আমাদের কিশোর-তরুণদের সামনে ভাল কোন উজ্জীবক নেই। আগে প্রত্যেক পাড়ায় খেলাঘর, ক্লাব বা সংগঠন থাকত যারা সামাজিক বিভিন্ন কাজের উদ্যোগ নিত। এখন সেই ধারা নেই বললেই চলে। আমাদের কিশোর-তরুণরা মোবাইল ফোন নির্ভর। মোবাইলের প্রতি এই আসক্তি বা অতি নির্ভরতা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে নানা দুশ্চিন্তা বা টানাপোড়ন বিদ্যমান।

সেখান থেকে কিশোর-তরুণদের বের করে আনতে চাইলে সামাজিক কর্মকান্ড বাড়াতে হবে। ছেলেমেয়েদের নিয়ে ক্লাব/সংগঠন গড়ে তুলতে হবে। তাদেরকে সামাজিক কাজ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে। নিজেদের বাড়িতে সব্জি চাষ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে তাদের নিয়ে কাজ করতে হবে। প্রয়োজন ছোট্ট প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে হবে। মানুষকে জাগিয়ে তুলতে হবে আত্মমর্যাদাবোধের চেতনায়। মানুষ যেন কারও মুখাপেক্ষি না হয়ে ‘আত্মশক্তি’র উপর ভরসা রাখে। আত্মশক্তিতে বলীয়ান কোন ব্যক্তিকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারে না। আমাদের জাতিও যদি সেই শক্তির বলে বলীয়ান হয়, নিশ্চয় আমরা সেটা বিশ্বাসও করি, তাহলে আমরা পিছিয়ে থাকব কেন?

করোনার প্রভাবে প্রায় ৪৩ শতাংশ মানুষের আয় কমে গিয়েছে। চলতি বছরে মানুষ সেই ক্ষতি খানিকটা পুষিয়ে নিচ্ছিল কিন্তু বৈশ্বিক পরিস্থিতি তাদের আবার হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। মানুষ এখন চিন্তিত কিভাবে ২০২৩ সালের বৈশ্বিক মন্দা মোকাবেলা করবে। তৃণমূলে এনজিওদের কাজের ফলে ঋণ প্রবাহ সচল থাকলেও ঋণকে উৎপাদনমুখী কাজে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এখনও বেশ খানিকটা প্রতিবন্ধকতা বিদ্যমান। বিশেষ করে এনজিওদের ঋণের অধিক সুদহার নৈতিক এবং অর্থনৈতিক উভয়ক্ষেত্রেই প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সরকারের দেয়া ৪-৬% সুদহারের কৃষি ঋণ এনজিওদের মাধ্যমে যাচ্ছে ১৪-২৪ শতাংশ হারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর সম্প্রতি এই প্রবণতাকে ‘অনৈতিক’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। এটা বদলানো দরকার। বাংলাদেশ ব্যাংক উদ্যোগটা নিতে পারে।

বিদ্যমান ব্যবস্থায় সরকারকে রেশন কার্ড চালু করতে হবে এবং কার্ডের বিপরীতে ভর্তুকি মূল্যে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সরকার যদি ‘রেশন কার্ড’ চালু করাকে ‘ইমেজ সংকট’ হিসেবে বিবেচনা করে তাহলে অন্য কোন উপায়ে হলেও কমদামে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর পরিমাণ বাড়াতে হবে। হাতে নিতে হবে আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচী। বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে এখন অনেক সৃজনশীল উদ্যোগ চোখে পড়ে যা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ীদের সফলতাকে নির্দেশ করে। সরকারের উচিত এই জাতীয় উদ্যোগগুলোতে আর্থিক ও কারিগরী সহায়তা বৃদ্ধি করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তোদের তথা গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা।

গ্রামে ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকারকে আরও সহায়তা দিতে হবে। গরীব মানুষের জন্য ডিমই এখন একমাত্র ভরসা। প্রত্যেক বাড়িতেই কিভাবে ছোট ছোট পোল্ট্রি খামার গড়ে তোলা যায় তার জন্য কৃষি ও প্রাণী সম্পদ বিভাগকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। ডিম দেয়া মুরগীর চাষ সম্প্রসারণ করার উপরে সরকারকে জোর দেয়ার অনুরোধ জানাই। 
গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য ব্যাংকিং খাতের সংস্কার প্রয়োজন। ব্যাংকগুলো সাধারণ মানুষের কাছে এখনও যেতে পারছে না। অথচ একটু উদ্যোগ নিলে সেটা সহজেই করা সম্ভব। এনজিও’র মাধ্যমেও যদি সরকার গরীব মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তা পৌঁছাতে চায় সেটাও করা যায়। এনজিওগুলোকে বলতে হবে তুমি ঋণ দিবে এক ডিজিটে। প্র্রয়োজনে তোমাকে প্রশাসনিক ব্যয় বাবদ সরকার প্রণোদনা দিবে।

এভাবে মানবিক অর্থায়নের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকার এবারেও কৃষকদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করেছে। ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকট আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কায় সরকার অভ্যন্তরীণ খাদ্য উৎপাদন বাড়িয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বল্প সুদে ঋণ বিতরণের ব্যবস্থা নিয়েছে। এ স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো ০.৫০% সুদে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তহবিল নিয়ে কৃষকদের ৪% সুদে ঋণ দেবে। তিন মাস গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১৮ মাসে ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন চাষীরা। খুবই সুন্দর একটা উদ্যোগ। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে  ব্যাংকগুলো সরকারের এই সহায়তা স্কীমের টাকা গরীব কৃষকের কাছে পৌঁছাচ্ছে না বা পৌঁছাতে পারছে না। এই জটিলতার জালটা ছিন্ন করা খুবই দরকার। অথচ সরকার তদারকি করলেই এটা নিশ্চিত করতে পারে। আগামী ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই স্কিম বলবৎ থাকবে জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, প্রয়োজনে মেয়াদ ও তহবিলের পরিমাণ পুনঃনির্ধারণ করা হবে। এত ভাল সুযোগটা কেবল তথ্য না জানা এবং পদ্ধতিগত জটিলতার কারণে ভেস্তে যেতে পারে না।

সুতরাং একটি শোষণহীন, সমাজতন্ত্র অভিমুখীন ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার জন্য, একটা নয়া ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের মুক্তিকামী মানুষ জোট বাঁধো, তৈরী হও, সবাই মিলে তোল আওয়াজ! সবাই মিলে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোল।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়