ব্যাহত করোনা টেস্ট

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৫:৩৭ পিএম, ২১ মে ২০২০

করোনাভাইরাস আক্রান্তদের শনাক্ত করতে ভাইরাস পরীক্ষার সংখ্যা ও পরীক্ষা কেন্দ্র আরও বাড়ানো এবং স্বল্প সময়ে ৫ লাখ টেস্টিং কিট সংগ্রহের সুপারিশ করেছে এ বিষয়ে সরকার গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটি। চলমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৮ দফা সুপারিশ করেছে তারা। সম্প্রতি এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সঙ্গে এ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে এসব সুপারিশমালা তুলে ধরা হয়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে করোনার নমুনা পরীক্ষা কতটা জরুরি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সম্প্রতি পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে জানা গেছে, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির মুখে ১০ হাজার নমুনা পরীক্ষার টার্গেট করা হলেও তা এখনো বাস্তবায়ন করা যায়নি। এ প্রসঙ্গে এটাও উল্লেখ্য যে, কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন নমুনা সংগ্রহ থেকে শুরু করে লোকবলের সমস্যার কারণে পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিলম্ব হচ্ছে। সঙ্গত কারণেই এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তা স্বাভাবিকভাবেই আশংকাজনক বাস্তবতাকে স্পষ্ট করে, যা কাম্য হতে পারে না। বিশেষজ্ঞদের অনেকের মত বাংলাদেশে এ পরীক্ষা শুরুর পর দুই মাসেও এর সংখ্যা বাড়াতে না পারলে সংক্রমণের সঠিক পরিস্থিতি বোঝা যাবে না। এ ক্ষেত্রে বলা দরকার, সঠিক পরিস্থিতি না বুঝতে পারলে সংকট নিরসন হুমকির মুখে পড়বে এমন আশংকা অমূলক নয়। বলার অপেক্ষা রাখে না, কিছু দিন হলো দেশে জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে লকডাউন শিথিল করার বিষয়টি আলোচনায় আসে। সীমিত ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু হয়েছে এবং বিধি মেনে মানুষকে বের হতে হচ্ছে। ফলে এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাটা কতটা জরুরি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে ঘরে থাকার মেয়াদ ঈদ পেরিয়ে ৩০ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে আদেশ জারি করেছে সরকার। সেই আদেশে ছুটিতে কর্মস্থল ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, চলাচলে কড়াকড়ির সঙ্গে ঈদ জামাত নিয়ে সতর্কবার্তা এসেছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির মুখে ১০ হাজার নমুনা পরীক্ষার টার্গেট করা হলেও তা এখনো বাস্তবায়িত করা যায়নি- এই বিষয়টিকে আমলে নিতে হবে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে যত দ্রুত সম্ভব করণীয় নির্ধারণ করে তার যথার্থ বাস্তবায়ন ঘটাতে সার্বিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।