আবারও বাড়ছে বায়ু দূষণ

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৫:৩২ পিএম, ২১ মে ২০২০

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সব জায়গায়ই ধুলা উড়ছে। দেশে এমন কোনো স্থান নেই যেখানে ধুলা নেই। দেশের সর্বোচ্চ আদালতও এ ধুলা নিয়ন্ত্রণের জন্য বলেছে। আর এ ধূলার কারণেই দেশে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি বেশি বলে মনে করছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। সাধারণ মাস্কও ভাইরাস প্রতিরোধক নয় বলে এই প্রতিষ্ঠানের অভিমত। প্রতিষ্ঠানটির মতে সার্জিক্যাল মাস্কই ভাইরাস প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করবে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দূষণের শিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম সারিতে বাংলাদেশ। ফলে অসংখ্য মানুষ মারা যাচ্ছেন এবং নানা রোগে ভুগছেন। দেশে করোনা সংক্রমণের পর কারখানা, দোকানপাট, যানবাহন বন্ধ থাকায় এবং মানুষ ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ করলে ঢাকা সহ সারা দেশের বায়ু দূষণ কমতে থাকে। এক পর্যায়ে দেশের রায়ু স্বাস্থ্যকর পর্যায়ে আসে। তবে সম্প্রতি দেশে ফের কারখানা, দোকানপাট খুলতে শুরু করেছে। বাড়তে শুরু করেছে যানবাহন, মানুষের আনা গোনা। ফলে ফের বাড়তে শুরু করেছে বায়ু দূষণ। বাংলাদেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটের রিয়েল টাইম বায়ুর মানসূচক অনুযায়ী, গত ৩ মে সকাল ১০টা থেকে ১১টার সময়ে ঢাকার বায়ুর মান ছিল ৮৫ পিএম ২.৫। ১২ দিন পর ১৫ মে সকাল ১০টা থেকে ১১টার সময়ে ঢাকার বায়ুর মান ১২৯ পিএম ২.৫। অর্থাৎ ইতিমধ্যে বায়ু দূষণের পরিমাণ অনেক বেড়েছে। সব সময় প্রথম সারিতে থাকায় বাংলাদেশ ৩মের সেই সময়ে দূষণ কমায় ৩৯তম স্থানে চলে আসে। তবে দূষণ বাড়ায় বাংলাদেশ এই সময়ে চলে এসেছে সর্বোচ্চ দূষণের ২২তম দেশে। গড় দূষণ সর্বোচ্চ থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ দূষিত দেশের শীর্ষে রয়েছে। আমরা মনে করি, যেসব অতিরিক্ত বায়ু দূষণ হচ্ছে, সে সব কারণগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একুশ শতকে বায়ু দূষণ জনস্বাস্থ্যের জন্য বিরাট এক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখনই যদি যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়া যায়- তা হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপদ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। সুতরাং সময় থাকতেই সাবধান হওয়া সমীচীন এবং এর কোনো বিকল্প নেই।