চাল উৎপাদনে সফলতা

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৩:৫৭ পিএম, ২০ মে ২০২০

করোনা আতঙ্কে দেশের মানুষ যখন আতঙ্কিত, মানুষ যখন দুশ্চিন্তাগ্রস্ত তখন দেশের জন্য সুসংবাদ বয়ে এনেছে মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। এ বিভাগের পূর্বাভাস বলছে, চলতি অর্থ বছর (২০১৯-২০) চাল উৎপাদনে ৩ কোটি ৬০ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে। এর মধ্যে দিয়ে ইন্দোনেশিয়াকে টপকে বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ চাল উৎপাদনকারী দেশ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ স্থানটি ধরে রাখতে উৎপাদন আরো বাড়াতে হবে। আধুনিক ও বিজ্ঞান ভিত্তিক চাষাবাদে যেতে হবে। কৃষককে উপকরণ দিয়ে আরও বেশি সাপোর্ট দিতে হবে। এমনিতে কৃষি ক্ষেত্রে সাফল্যের কারণে বিশ্বে বাংলাদেশ রোল মডেল। সরকার ঘোষণা দিয়েছে, আগামী এক বছরের জন্য বাংলাদেশে খাদ্য শস্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। এবার দেশে বাম্পার ফলন হওয়াতে অনেকটাই ফুরফুরে মেজাজে সরকার। খাদ্য শস্যের ঘাটতির আশঙ্কা নেই আগামী দুই বছর। যদি পরিকল্পিতভাবে পথ হাঁটা যায়।  আমরা বলতে চাই, বিভিন্ন সময়েই এমন খবরও সামনে এসেছে যে, চাষাবাদ করার পর কৃষক ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হন, অনেক সময় খরচও ওঠে না- এই বিষয়গুলোকে যেমন আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে, তেমনিভাবে উৎপাদন বাড়াতে চাষাবাদে পদ্ধতিগত উন্নয়ন, কৃষককে সব ধরনের সহযোগিতাসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, তিন মৌসুমে উৎপাদন বৃদ্ধির সম্মিলিত ফলাফলই বাংলাদেশের শীর্ষ তিনে চলে আসার মূল কারণ। অর্জনটা ধরে রাখতে হলে কৃষিখাতে গবেষণা যেমন বাড়াতে হবে তেমনি সম্প্রসারণেও গুরুত্ব দিতে হবে। এ  কৃতিত্বকে ধরে রাখতে হলে আগামীতে ফলন আরও বাড়াতে হবে। এ জন্য প্রযুক্তি কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর বিষয়টি আমলে নিতে হবে। উৎপাদন বৃদ্ধি সহ চাল রপ্তানিকারক দেশ হতে হলে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা জরুরি।