পাহাড়ে হানাহানি 

OnlineStaff OnlineStaff
প্রকাশিত: ০৭:২৭ এএম, ০৫ মার্চ ২০২১

পাহাড়ি রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর হানাহানি পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশকে বিষিয়ে তুলছে। এদের অধিনস্থ কয়েক হাজার সশস্ত্র সন্ত্রাসীর কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে ওই এলাকায় বসবাসকারী লাখ লাখ মানুষের জীবন। নামে রাজনৈতিক সংগঠন হলেও পাহাড়ি সংগঠনগুলোর কর্মিদের মূল পেশা অপহরণ ও চাঁদাবাজি। পাহাড়ি সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর হানাহানি সাধারণ মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। জনসংহতি সমিতি (জেএসএস), ইপিডিএফ এবং এ দুই সংগঠন থেকে বেরিয়ে এসে নতুন নামে আত্মপ্রকাশকারী সংগঠনের সন্ত্রাসী সদস্যরা পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী শান্তি প্রিয় সব মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। তিন পার্বত্য জেলায় সেনাবাহিনীর ছেড়ে দেয়া ক্যাম্পে পুলিশ  মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

 গত রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সভাপতি জ্যোতি রিন্দ্র বোধি প্রিয় লারমার (সন্তু লারমা) সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী একথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিন পার্বত্য জেলায় মাঝে মধ্যেই অনাকাঙ্খিতভাবে রক্তের বন্যা বয়েই চলছে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন ওই জায়গায় খেয়াল করতে। একজন অতিরিক্ত সচিবের মাধ্যমে আগে তিনটি জেলায় কোথায় কী হচ্ছে সে বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দিয়ে আসছি। সেখানে কিছু সুপারিশও ছিল। যত স্টেক হোল্ডার আছে, তাদের সঙ্গে আলাপ করেছি। আমাদের দায়িত্ব হলো পাহাড়ে শান্তি ফিরিয়ে আনা। পার্বত্য শান্তি চুক্তির আশা করা হয়েছিল পাহাড়ে শান্তি ফিরে আসবে। শান্তি চুক্তির আগে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ও বিজিবির ক্যাম্প ছিল ৫৫০টির বেশি। চুক্তির পর দুর্গম পার্বত্য এলাকা থেকে ৩৩৪টি ক্যাম্প সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহারকে নিজেদের যথেচ্ছতা প্রকাশের সুযোগ হিসেবে দেখছেন পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠনের সদস্যরা। হটকারিতা বন্ধে সরকারকে উদ্যোগী হতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ক্যাম্পগুলোকে সক্রিয় করতে হবে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নিতে হবে উদ্যোগ।