টিকায় এগিয়ে বাংলাদেশ

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৬:১২ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্বের অনেক দেশেই টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। খুব অল্প সংখ্যক দেশই মোট জনসংখ্যার এক-শতাংশের টিকা দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করেছে। তবে প্রতিদিন টিকা দেওয়ার হারের দিক দিয়ে বাংলাদেশ অনেক দেশ থেকে এগিয়ে আছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান ও শ্রীলংকার চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে এই ধারা অব্যাহত থাকলে শিগগিরই টার্গেটকৃত জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনাসহ করোনা মোকাবিলা সম্ভব হবে। তবে টিকা নেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধিও মানতে হবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণে বিশ্ব বিপর্যস্ত পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে।

 প্রায় প্রত্যেকটি খাতেই এর প্রভাব পড়েছে ব্যাপকভাবে। বাংলাদেশও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও সংক্রমণে মৃত্যু থেমে নেই। কিন্তু যখন এমন খবর জানা যাচ্ছে, করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের পথে বাংলাদেশ, তখন তা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বাস্তবতাকে স্পষ্ট করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোন দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার টানা তিন থেকে চার সপ্তাহ ৫ শতাংশের নিচে থাকলে সেদেশে রোগটির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরে নেওয়া হয়। প্রকাশিত খবরের তথ্য মতে, গত তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দেশে করোনা সংক্রমণের হার ৫ শতাংশ থেকে ক্রমান্বয়ে কমে এখন তিনের ঘরে। আবার কখনো দুইয়ের ঘরে নামছে।

 প্রতিদিনই আগের দিনের তুলনায় কমেছে মৃত্যুর সংখ্যা, বাড়ছে সুস্থতার হার। করোনার গণটিকাদান কর্মসূচিও জোরেসোরে এগিয়ে চলছে। সবকিছু মিলিয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণের পথে বাংলাদেশ। শনিবার পর্যন্ত ২১ লাখ মানুষ টিকা নিয়েছেন। বাংলাদেশে পরপর চার দিন দৈনিক গড়ে ২ লাখ ২৬ হাজারের বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। সর্বোপরি আমরা বলতে চাই, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যেসব উদ্যোগ ও কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে তার যথাযথ বাস্তবায়নে সর্বাত্মক পদক্ষেপ জারি রাখার বিকল্প নেই। সঙ্গত কারণেই টিকাদান কর্মসূচি সফল করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে হবে। করোনার টিকা গ্রহণের পরও সবাই যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, তাহলে সংক্রমণের হার আরও দ্রুত কমে যাবে।