খাদ্যে ভেজাল

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৯:০৩ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১

খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি ভেজালকারীদের কঠোর হাতে দমনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, একদিকে যেমন তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে, অন্যদিকে কঠোর হস্তে এটা দমনও করতে হবে। দু’দিকে ব্যবস্থা নেওয়া একান্ত দরকার। সেই ব্যবস্থাগুলো আপনাদের নিতে হবে। গত বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস-২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ নির্দেশ দেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে খাদ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে তিনি ভার্চুয়ালি অংশ নেন। টেকসই উন্নয়ন-সমৃদ্ধ দেশ, নিরাপদ খাদ্যের বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে এ বছর দেশে জাতীয়ভাবে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। খাদ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরি করতে দেশে ২০১৮ সাল থেকে প্রতি বছর ২ ফেব্রুয়ারি পালন করা হয় ‘নিরাপদ খাদ্য দিবস’ হিসেবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি, মানুষের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য যা প্রয়োজন, সেটা আমরা করতে পারব।

যদিও আমি জানি, করোনার কারণে আমাদের যথেষ্ট সমস্যা মোকাবিলা করতে হচ্ছে, কিন্তু এরপরও আমরা এ ব্যবস্থাটি নেব’। প্রসঙ্গত, উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে খাদ্যে ভেজালের সংবেদনশীল খবরগুলো সাম্প্রতিক বছরগুলোয় পাঠকদের উদ্বেগ বাড়িয়ে চলেছে। এ প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর এ আহবান যুক্তিযুক্ত। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রধানমন্ত্রীর ভেজাল রোধের নির্দেশকে কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ দু’বছর আগে নিম্নমানের ৫২ খাদ্য পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছিল। আমরা উদ্বেগের সঙ্গে দেখেছি, হাইকোর্টের হস্তক্ষেপের পরও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে পরিস্থিতির তেমন হেরফের ঘটেনি। অথচ সরকারি সংস্থা দ্বারা ভেজাল চিহ্নিত হওয়ার পরই উপযুক্ত সরকারি সংস্থা দায়ী প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে, সেটাই স্বাভাবিক প্রত্যাশা। যতদিন পর্যন্ত অসৎ ব্যবসায়ীদের মানসিকতার পরিবর্তন না হবে ততদিন পর্যন্ত খাদ্যে ভেজাল চলবে এবং মৃত্যু ঝুঁকিতে থাকবে এ দেশের জনগণ।