প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় বৃদ্ধি

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ১১:১৮ পিএম, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১

দেশের মানুষের কল্যাণে সরকারের পক্ষ থেকে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। এসব প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর সরকারের সাফল্যও অনেকাংশে নির্ভরশীল। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, প্রকল্প বাস্তবায়নে সময়ক্ষেপণ এবং এর খরচ বৃদ্ধি যেন অনতিক্রম্য নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব যাদের তাদের দায়িত্বহীনতা ও অসততা প্রতিটি প্রকল্পের সময়মতো বাস্তবায়ন অনিশ্চিত করে তুলছে। এতে যেমন রাষ্ট্রের অর্থ গচ্চা যায়, তেমনি সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ায় মানুষেরও দুর্ভোগ পোহাতে হয়। যে কর্মকর্তার গাফলতির কারণে প্রকল্প পরিকল্পনায় গলদ থেকে যাচ্ছে তাদের কারণে প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে, তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার একনেক সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর এসব নির্দেশনা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, ‘পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের মেয়াদ তিন বছর এবং ব্যয় ২ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব আসে। প্রকল্পটির ব্যয় কেন বাড়ছে তা বিশ্লেষণে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মূল প্রকল্পে ডিজাইন ছিল না। কাদের গাফলতির জন্য প্রকল্পর ডিজাইনটা ইনকারেক্ট হল, আমাদের সময় অর্থ দুটোই অপচয় হলো, তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নিন। আগামীতে যেন এমন আর না হয়, সে জন্য প্রধানমন্ত্রী সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন। আমাদের মতে, জনগণের টাকার অপচয় রোধে সময়- মতো প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারকে কঠোর হতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় বরাদ্দ নানা অজুহাতে বাড়িয়ে নেওয়া এবং সময় মতো কাজ শেষ না হওয়াও সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বড় সমস্যা। ব্যর্থ কর্মকর্তা-কর্মচারিদের চিহ্নিত করে বিদায় দেওয়ার কথাও ভাবা উচিত।