ফিরছে দেশি মাছ

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৩:৩৫ পিএম, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০

ফিরছে দেশি মাছের রাজত্ব। এসব মাছের প্রজনন ও আধুনিক চাষ পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর। তথ্য মতে, দেশে ২৭০ প্রজাতির মিঠাপানির মাছ পাওয়া যায়। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেনশন অব নেচারের (আইইউসিএন) হিসাবে, এর মধ্যে বিলুপ্তির পথে ৫৪ প্রজাতি, তবে এসব মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বাড়াতে ওয়েটল্যান্ড বায়োডাইভার্সিটি রিহ্যাবিলিটেশন প্রকল্পের আওতায় ১৮টি জলাশয়ে ব্রুড মাছ ও পোনা অবমুক্ত করে সফলতা মিলেছে। এদিকে গতানুগতিক পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসে উন্নত ও আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের মাধ্যমে দেশি প্রজাতির মাছকে বিলুপ্তি থেকে রক্ষার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক প্রতিবেদনে প্রকাশ, ৬১টি জেলার ৪৬৪টি উপজেলায় ৪ হাজার ৩০৩ ইউনিয়নের একটি করে পুকুর বা জলাশয়ে মৎস্য চাষিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

এর মাধ্যমে মাছ চাষের আধুনিক প্রযুক্তি প্যাকেজ সম্প্রসারণ করে মাছের উৎপাদন ব্যাপক হারে বাড়ানো হবে। প্রথমে ৩ হাজার পুকুর ও জলাশয়ের সংখ্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩০০টি। এসব পুকুরে নতুন করে পাবদা-চিংড়ি ও টেংরা চাষ করা হবে। প্রতি ইউনিয়নে একটি করে জলাশয় নির্বাচন করবেন চেয়ারম্যানের অধীনে গঠিত কমিটি, আশার কথা, প্রাকৃতিক উৎস থেকে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম থেকে তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। আমরা মনে করি, এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে। মাছ চাষকে উৎসাহিত করার জন্য চাষ পদ্ধতির আধুনিকায়ন জরুরি। সরকার সে লক্ষ্যেই কাজ করছে। সরকারের কার্যকর পদক্ষেপই কেবল পারে মাছ উৎপাদনে আরও সমৃদ্ধি লাভ করতে। এছাড়াও পরিবেশ দূষণের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার। দেশের নদী, খাল-বিলের পানিকে দূষণমুক্ত করার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। সেই সঙ্গে মজা ডোবা, খাল, বিল পুনর্গঠন করে দেশি মাছের অবাধ বংশ বিস্তারের সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে।