আদমদীঘিতে

ধর্ষণ মামলা থেকে রেহাই পেতে বিয়ে করার ৯ মাস পর নির্যাতন করে তাড়ালো স্ত্রীকে

প্রকাশিত: জানুয়ারী ২৪, ২০২৩, ০৯:১০ রাত
আপডেট: জানুয়ারী ২৪, ২০২৩, ০৯:১০ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: আদমদীঘির বিহিগ্রামে ধর্ষণ মামলা থেকে রেহাই পেতে ধর্ষনের শিকার নারীকে বিয়ে করে ঘর সংসার করার ৯মাস পর যৌতুকের দাবিতে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করে তাড়িয়ে দিয়েছে। এ অভিযোগে স্বামী সিহাব হোসেন ও শাশুড়িসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী। গত ১০ জানুয়ারি বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত-২ এ মামলা দায়ের করেন।

আদালত বাদিনীর আনিত অভিযোগ আমলে নিয়ে তা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদমদীঘি উপজেলার চাঁপাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলা সুত্রে জানা যায়, বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার বিহিগ্রামের সিহাব হোসেন গত ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি রাত ৮টায় একই গ্রামের ওই নারীকে ধর্ষন করে। এ ঘটনায় মামলা হলে আসামী সিহাব হোসেনকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করেন।

উক্ত আসামী সিহাব হোসেন মামলা থেকে রেহায় পেতে বাদিনীর সাথে বিয়ে করার শর্তে আদালত তাকে জামিন দেন এবং ২০২২ সালের ২৯ মার্চ তাদের রেজিস্ট্রি করে বিয়ে হয়। এরপর থেকে তারা সুখে সংসার করা কালে আদালত আসামী সিহাব হোসেনকে মামলা থেকে খালাস দেন। এর কিছু দিন পর স্বামী সিহাব ও তার পরিবারের লোকজন ওই নারীর নিকট ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি ও নির্যাতন করে তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

এ ঘটনায় বাদিনীর পিতা যৌতুক বাবদ ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রদান করে তাকে স্বামীর বাড়ি পাঠায়। এরপর কিছুদিন ভাল থাকার পর স্বামী সিহাব হোসেন আবারো যৌতুক দাবি করে বিয়ের ৯ মাস ঘর সংসার করার পর গত ৭ জানুয়ারি সকাল ১০টায় তাকে আবারও নির্যাতন করে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। ফলে স্বামীর সংসার ফিরে পেতে আদালতে এই মামলা দায়ের করেন বলে বাদিনী জানান। চাঁপাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম জানান, গত সোমবার তিনি আদালত প্রেরিত ওই মামলার নথি পাওয়া গেছে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়