ক্ষুরের জন্য লাইসেন্স দাবি

হামলা থেকে রক্ষা পেলেন চেয়ারম্যান

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ০১, ২০২২, ১০:৫২ রাত
আপডেট: ডিসেম্বর ০১, ২০২২, ১০:৫২ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার শাজাহানপুরের আশেকপুর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান হযরত আলীর সাহসিকতায় এক উন্মাদের হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছেন ইউপি সদস্যগণ। পরে ওই উন্মাদকে তার পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটেছে আজ (০১ ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার দুপুরে আশেকপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে।

হামলাকারী ওই উন্মাদ ইউপি’র আশেকপুর মধ্যপাড়া গ্রামের রাজমিস্ত্রি নূর ইসলামের ছেলে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগীরা জানান, ভিজিডি’র উপকারভোগী বাছাইয়ের লক্ষ্যে আজ (০১ ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে আশেকপুর ইউপি ভবনে চেয়ারম্যান-মেম্বারদের এক সভা চলছিল।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ধারালো অস্ত্র (খুর) হাতে অতর্কিতভাবে ইউপি ভবনে ঢুকে পড়ে আরমান (২৮) নামের এক উন্মাদ যুবক। সে উপস্থিত সকলকে উদ্দেশ্য করে বলে ‘আমাকে এই অস্ত্রের লাইসেন্স দিতে হবে, অন্যথায় আপনাদের অসুবিধা হবে।’ বিষয়টি নিয়ে দু’এক জন কথা বলতেই ওই উন্মাদ ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করতে উদ্যত হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী ওই উন্মাদকে জাপটে ধরেন এবং ধারালো অস্ত্রটি কেড়ে নেন। ইউপি সদস্যদের সহায়তায় তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। সংবাদ পেয়ে উন্মাদের স্বজনেরাও সেখানে উপস্থিত হন এবং তারা জানান, আরমান মাস্টার্স পাশ। কিন্তু সে মাঝে মধ্যেই মানসিকভাবে বিগড়ে যায়। এর আগে এরকম কয়েকটি ঘটনা সে ঘটিয়েছে। মানসিক বিকার গ্রস্তের বিষয়টি জানার পর তাকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়।

ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী জানান, সাহসিকতার সাথে অস্ত্রধারী উন্মদকে আটক করায় তার হামলা থেকে মেম্বারগণ রক্ষা পেয়েছেন। অন্যথায় প্রাণহাণির মতো ঘটনাও ঘটতে পারতো।

শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আমবার হোসেন জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ওই উন্মাদকে স্বজনদের জিম্মায় দেওয়ার পাশাপাশি তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে অভিভাবকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।  

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়