পায়ে হেঁটে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ বাবা-ছেলে

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৩, ২০২২, ০৯:৪৮ রাত
আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০২২, ১১:০৬ দুপুর
আমাদেরকে ফলো করুন

রংপুর জেলা প্রতিনিধি: পায়ে হেঁটে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ যাত্রাকারী বাবা-ছেলে রংপুরের সীমানা পেরিয়ে এখন গাইবান্ধার পথে। বুধবার সকালে রংপুর জেলা অতিক্রম করার সময় দেখা মিলে তাদের সাথে। এসময় প্রতিবেদকের সাথে কিছুক্ষণের যাত্রাবিরতীতে কথা হয়। আলোকিত বাংলার স্বপ্নযাত্রা, আমরা করবো জয় স্লোগানে পায়ে হেঁটে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে কক্সবাজার জেলার টেশনাফের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বাবা সাদেক আলী সরদার (৬৭) ও তার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৩৭)। সাদেক আলী ও তার ছেলে মোস্তাফিজুর গাইবান্ধা শহরের বাসিন্দা।

বাবা ও ছেলে জানান, এটাই হবে তাদের সবচেয়ে দীর্ঘ পদযাত্রা। গন্তব্যে পৌঁছাতে আগামী ২০ দিনে তারা ১ হাজার ১৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেবেন। প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬৫ কিলোমিটার হেঁটে যাওয়ার চেষ্টা করি। রাতেই বেশি হাঁটি।

গাইবান্ধা শহরের সাদেক আলী সরদার চাকরি করেন সেনাবাহিনীতে। ২০০৬ সালে অবসর গ্রহণ করেন তিনি। সেখানে চাকরির সুবাদে শরীর চর্চার অভ্যাস রয়ে গেছে তার। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন তার লম্বা পথ হেঁটে পাড়ি দিবেন দেশান্তরে। সেই জায়গায় যাওয়ার আগেই শুরু করছেন হেঁটে চলার অনুশীলন। ভ্রমণ সঙ্গী হিসেবে যোগ দিয়েছেন তার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাবার স্বপ্নপূরণে আমিও সঙ্গী হয়েছি। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করে নানান ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন হচ্ছে। সেটি দেশ ও দশের স্বার্থে কাজে লাগাবো। তেঁতুলিয়া-টেকনাফের পদযাত্রা যেন সফল হয় এজন্য সবার দোয়া চেয়েছি আমরা।

বাবা সাদেক আলী সরদার বলেন, শুধু তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ নয়, আরও লম্বা পথ পাড়ি দেয়ার স্বপ্ন রয়েছে। এক সময় চাকরি থেকে অবসর নিয়ে শরীরে নানান রোগ বাসা বেঁধেছিল। এরই মধ্যে কয়েক দফায় দীর্ঘপথ হাঁটাচলা করে অনেকটাই সুস্থ আছি। শরীরে শক্তি বেড়েছে কয়েকগুন। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটার চর্চা সবার দরকার।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়