সোনাতলায় দ্বিগুণ জমিতে পেঁয়াজ চাষ, পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৩, ২০২২, ০৯:২৫ রাত
আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০২২, ০৯:২৫ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

বদিউদ-জ্জামান মুকুল সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: সোনাতলায় পেঁয়াজের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে স্থানীয় কৃষকেরা। গত বছরের চেয়ে প্রায় দ্বিগুন জমিতে পেঁয়াজ চাষ করছে কৃষক। অপর দিকে আগাম জাতের পেঁয়াজ হাটে বাজারে উঠতে শুরু হরেছে।

এবার রেকর্ড পরিমাণ জমিতে মসলা জাতীয় ফসল পেঁয়াজের চাষ করা হয়েছে। রোপনকৃত পেঁয়াজের জমিতে কোমর বেঁধে পরিচর্যায় নেমেছে কৃষকেরা। আগাম জাতের পেঁয়াজ ইতিমধ্যেই হাটে বাজারে বেচা বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রতিকেজি পেঁয়াজ ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলার তেকানীচুকাইনগর ও পাকুল্লা ইউনিয়নের ৯টি চরের শতশত বিঘা জমিতে এবার আগাম জাতের পেঁয়াজ চাষ করা হয়েছে। ফলনও হয়েছে ভালো।

এ বিষয়ে জন্তিয়ারপাড়া এলাকার কৃষক সাইদুর রহমান জানান, গত বছর তিনি দেড় বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেন। এবার তিনি সাড়ে তিন বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। ইতিমধ্যেই তিনি নতুন পেঁয়াজ বাজারে বিক্রি শুরু করেছেন। অপরদিকে খাবুলিয়া চরের বাসিন্দা গেন্দা মিয়া জানান, পেঁয়াজ চাষে উৎপাদন খরচ কম। লাভ বেশি। তাই চরাঞ্চলের কৃষকেরা এই ফসলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন জানান, কৃষক বছরে ২টি সময়ে পেঁয়াজ চাষ করেন। এর মধ্যে শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন। তবে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে কৃষক যে সকল জমিতে আগাম জাতের পেঁয়াজ চাষ করে ছিল সেই সকল জমির পেঁয়াজ এখন হাটে বাজারে বিক্রি হচ্ছে।  প্রতি কেজি পাতা পেঁয়াজ ২০-২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এই ফসলে উৎপাদন খরচ কম, লাভ বেশি। তাই কৃষক বন্যা পরবর্তী ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকে পড়ে বেশি। গত বছর বগুড়ার সোনাতলায় শীতকালীন পেঁয়াজ ছিল ২৭০ হেক্টর জমিতে। এবার সেখানে রোপন করা হয়েছে ৩৬০ হেক্টর জমিতে। আবার গত বছর গ্রীষ্মকালীন সময়ে পেঁয়াজ ছিল ৯৫০ হেক্টর জমিতে। এবার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭০০ হেক্টর জমিতে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়