দুপচাঁচিয়ায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মেম্বারদের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৩, ২০২২, ০৮:২৭ রাত
আপডেট: নভেম্বর ২৩, ২০২২, ০৮:২৭ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি: দুপচাঁচিয়া উপজেলার জিয়ানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে পরিষদের ৮জন মেম্বার বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন। এ বিষয়ে বুধবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট পৃথকভাবে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলার জিয়ানগর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আহসান আলী তালুকদার, হযরত আলী, আনোয়ার হোসেন, শহিদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, আঃ রাজ্জাক, ইদ্রিস আলী ও মকছেদুল ইসলাম যুক্ত স্বাক্ষরে দায়েরকৃত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ও সচিব যোগসাজস করে ট্রেড লাইসেন্স ফি, হাউজ হোল্ড ট্যাক্সসহ অন্যান্য ফি আদায় করে তা হিসাব সংরক্ষণ না দেখিয়ে আত্মসাৎ করছে। ভিজিডি কার্ড বন্টনের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম করে আসছেন।

পরিষদের মাসিক সভাগুলো নিয়মিত করা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। টি আর, কাবিখা, কাবিটা প্রকল্পের কাজগুলোর সিংহভাগ তার আস্থাভাজন ইউপি সদস্যর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করছেন। পরিষদের গ্রাম আদালত ঠিক ভাবে পরিচালিত না করায় জনগণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পরিষদে মেম্বারগণ তার অনিয়মের প্রতিবাদ করলে তাদের সাথে চেয়ারম্যান অসদাচরণ করে আসছেন। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানান, মেম্বারদের অভিযোগগুলো সত্য নয়। ট্রেড লাইসেন্স ফিসহ পরিষদের অন্যান্য আয়ের অর্থ নিয়মিত ব্যাংকে জমা প্রদান করা হয়।

ভিজিডি কার্ড বন্টনের ক্ষেত্রে মেম্বারদের সমান সংক্ষক উপকার ভোগীর নামের তালিকা প্রস্তুতির দায়িত্ব দিয়ে তিনি বিভিন্ন কারণসহ ৩৩টি গ্রামের উপকারভোগী মানুষের জন্য  নিজের তালিকায় কিছুটা বেশি রাখেন। ইতিপূর্বেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিলো। চলতি বছরে ঢাকার অডিট টিম পরিষদ তদন্ত করেছেন। কোথাও কোন অনিয়ম বা দুর্নীতি পান নাই। তাকে হয়রানি করার জন্য এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এবারও তদন্তে অভিযোগগুলো মিথ্যা প্রমাণিত হবে বলেও তিনি জানান।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়