রংপুর বিভাগে ৯৫৪৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৫ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২, ০৪:৪০ দুপুর
আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২, ০৪:৪০ দুপুর
আমাদেরকে ফলো করুন

রংপুর প্রতিনিধি : রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় ৯ হাজার ৫৪৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষকের প্রায় সাড়ে ৫ হাজার পদ শূন্য রয়েছে। এই সংকটের মধ্য দিয়ে চলছে প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থীর পাঠদান। এতে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে শিক্ষক সংকট দূরীকরণে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের ৮ জেলায় সাড়ে ৯ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর পাঠদানের জন্য প্রায় ৫৪ হাজার শিক্ষক প্রয়োজন। বর্তমানে শিক্ষক রয়েছে প্রায় ৪৯ হাজার। সাড়ে ৫ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। অবসরজনিত, বদলি জনিতসহ বিভিন্ন কারণে এসব পদশূন্য হলে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ফলে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটছে। দ্রুত শূন্য পদ পূরণের সম্ভাবনাও কম। 

এই সংকট আরও স্থায়ী হলে পিছিয়ে পড়া রংপুর অঞ্চলে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা হোঁচট খাওয়ার শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

করোনার পরে গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে আশাব্যঞ্জক সাড়া পড়েছে বলে দাবি করেছে শিক্ষা অফিস। তাদের দেওয়া তথ্য মতে, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি হার ৮০ শতাংশ। এর মধ্যে মেয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হার ছেলেদের চেয়ে বেশি। উপস্থিতির হার আরও বাড়াতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের তাগিদ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা অফিস। তবে বিভিন্ন বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার কম। অনেক শিক্ষার্থী আসছেন না। 

রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের উপ-পরিচালক মো. মুজাহিদুল ইসলাম শিক্ষক সংকটের কথা স্বীকার করে বলেন, শূন্যপদ পূরণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিবেন। তিনি দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। 

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়