দৃষ্টিনন্দন হচ্ছে সুন্দরগঞ্জে ৯৪ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২, ০৩:৩১ দুপুর
আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২, ০৩:৩১ দুপুর
আমাদেরকে ফলো করুন

শাহজাহান মিঞা, সুুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : সারাবিশ্বে মহামারি করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় দেশে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। টানা দু’বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় বিদ্যালয় মেরামতের জন্য গাইবান্ধার সুুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ৯৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই লাখ টাকা করে বরাদ্দ পেয়েছে।

অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর আওতায় দুই ধাপে  উপজেলার ৯৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেরামত বাবদ ২০২১-২২ অর্থবছরে দুই লাখ টাকা করে বরাদ্দ পাওয়া গেছে। সেই মেরামতের বরাদ্দকৃত টাকায় থাকবে শহীদ মিনার, শ্রেণিকক্ষের দেওয়াল, টিন, মেঝে পাকাকরণ, গ্রিল, ওয়াশব্লোকসহ বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাট, শ্রেণিকক্ষের দেওয়ালে নানা রং করা এবং বাংলা, ইংরেজি অক্ষর, গাণিতিক চিহ্ন ছাড়াও দেয়ালে দেয়ালে আঁকা হবে দেশ বরেণ্য লেখক ও মনিষীর ছবি। উপজেলার ৯৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এভাবেই দৃষ্টিনন্দন করার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে আরও জানা যায়, উপজেলা ২৫৯টি বিদ্যালয়ের মধ্যে দুই ধাপে (৭২+২২)=৯৪ বিদ্যালয়ের কক্ষ সংস্কার বিদ্যালয় অবকাঠামো উন্নয়নসহ সৌন্দর্য বাড়ানো হবে। উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, উক্ত দুই লাখ টাকার প্রকল্পের কাজ সরকারি বিধি মোতাবেক আয় কর, ভ্যাট পরিশোধ করে ১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকরা পেয়েছেন এবং পরিকল্পনা মোতাবেক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন মেরামত, সংস্কার, বিদ্যালয় ভবনের রংয়ের কাজ, মাঠে মাটি ভরাট, শহীদ মিনার নির্মাণসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করেছেন প্রধান শিক্ষকগণ। 

উপজেলার শিবরাম আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন জানান, বিদ্যালয় মেরামতের বরাদ্দ এসেছে দুই লাখ টাকা, আয় কর ভ্যাট বাদ দিয়ে ২ ধাপে ১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা পেয়ে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ শ্রেণি কক্ষের দরজা, জানালা, মেরামতসহ বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষ রংয়ের কাজ করা হয়েছে। 

পশ্চিম শিবরাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  ইয়াকুব আলী জানান, বরাদ্দকৃত টাকায় বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাট, শ্রেণি কক্ষের গ্রিল, ফ্যান এবং বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎতের লাইন ওয়েরিংয়ের কাজ করা হয়। 

উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিপ্লব হাসান মদিনা জানান, পিইডিপি-৪ এর আওতায় উপজেলার ৯৪টি বিদ্যালয়ের সংস্কার, শহিদ মিনার নির্মাণ, মাঠে মাটি ভরাট করণ, বিদ্যালয় ভবন রং করাসহ কবি, সাহিত্যিকসহ দেশবরেণ্য মনিষীদের ছবি অঙ্কন করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দৃষ্টিনন্দন করার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আমরা বিদ্যালয়ে গিয়ে কাজ পরিদর্শন করছি, প্রতিটি বিদ্যালয়ের কাজ খুব সুন্দর হচ্ছে এখানে কাজের ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কাজ শেষ করে আমরা বিল পরিশোধ করতেছি। 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার একেএম হারুন উর-রশিদ জানান, সরকারি প্রকল্প (পিইডিপি)-৪ আওতায় উপজেলার ২৫৯টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯৪টি বিদ্যালয়ে সংস্কার, শহীদ মিনার নির্মাণ, মাঠে মাটি ভরাটকরণ, বিদ্যালয় ভবন রং করাসহ কবি, সাহিত্যিকসহ দেশবরেণ্য মনিষীদের ছবি অঙ্কন করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দৃষ্টিনন্দন করার কাজ শেষ পর্যায়ে। 

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়