অনৈতিক কাজের টাকা কম দেয়ার বিরোধ

আদমদীঘিতে মর্জিনা হত্যার রহস্য উন্মোচিত: ঘাতক গ্রেফতার

প্রকাশিত: আগস্ট ০৪, ২০২২, ০৮:০০ রাত
আপডেট: আগস্ট ০৪, ২০২২, ০৮:০০ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার আদমদীঘিতে মর্জিনা বেগম (৩৮) হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। অনৈতিক কাজের টাকা কম দেয়া নিয়ে বিরোধে এই হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। পুলিশ এ হত্যা মামলার প্রধান আসামী আবু জিহাদ ওরফে জেয়াদ মিয়া (৪৫)কে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে পুলিশ আদমদীঘির মুরইল বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আবু জিয়াদ মিয়া কুড়িগ্রামের চিলমারি উপজেলার পুরব মাচবান্দার (পাত্রখাতা হাজিপাড়ার) বেলাল হোসেনের ছেলে। আজ দুপুরে আবু জিয়াদ মিয়া আদমদীঘির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, আদালতে আবু জিহাদ তার জবানবন্দীতে উল্লেখ করেছে, ঘটনার রাতে সে শারিরীক সম্পর্কের পর মর্জিনা বেগমকে ২শ’ টাকা দেয়। কিন্তু মর্জিনা দেড় হাজার টাকা দাবি করে। এই টাকা না দিলে তার ভগ্নিপতি সালাউদ্দিনের নিকট ঘটনা ফাঁস করবে বলে মর্জিনা বেগম হুমকি দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আবু জিয়াদ মিয়া মর্জিনাকে টাকা দেয়ার নাম করে কৌশলে মুরইল ভাঙ্গা ব্রিজের উত্তর পাশে কোচপুকুরিয়া নিয়ে যায় এবং  সেখানে গলায় ওড়না লাগিয়ে ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে জমির কাদার মধ্যে মাথা পুঁতে রাখে। জবানবন্দী দেয়ার পর তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৭ জুলাই বুধবার দিবাগত রাতে আদমদীঘি উপজেলার নসরতপুর ইউনিয়নের সাওইল গ্রামে প্রতিবন্ধী আবুল কাশেমের তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী মর্জিনা বেগমকে হত্যা করে তার লাশ মুরইল ভাঙ্গা ব্রিজের উত্তরে কোচপুকুরিয়া নামক স্থানে জমির কাদার মধ্যে ফেলে রাখা হয়। পরের দিন গত ২৮ জুলাই পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়