সাঘাটায় বাল্যবিয়েতে যৌতুক দিতে অস্বীকার করায় হামলায় ৭ জন আহত

প্রকাশিত: মে ১১, ২০২২, ০৮:৩১ রাত
আপডেট: মে ১১, ২০২২, ০৮:৩১ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: অপহরণের পর বাল্যবিয়ে অনুষ্ঠানে যৌতুকের দাবি মানতে অস্বীকার করায় বরপক্ষের লোকজনের হামলায় ৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সাঘাটা ও ফুলছড়ির উদাখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যপারে থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করা হয়। গত ৭ মে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার হাট-ভরতখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।


জানা যায়, সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের ধনারুহা গ্রামের মমিরুলের নাবালিকা মেয়ে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী মিনি খাতুনকে (১৩) গত ২ মাস আগে উপজেলার পুটিমারি গ্রামের সাহেব মিয়ার ছেলে সোহাগ অপহরণ করে নিয়ে যায়। বিষয়টি মিমাংসা করে সোহাগের সাথে মিনির সামাজিকভাবে বিয়ের আয়োজন করা হয়। গত ৬ মে পুটিমারি গ্রামে সাহেব মিয়ার বাড়িতে বিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মিনির আত্মীয় স্বজনকে ডেকে মিনির পরিবারের কাছে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে সোহাগের পরিবার। কিন্তু তাদের দাবি মিনির পরিবার থেকে মেনে নিতে অস্বীকার করলে উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সোহাগের পরিবারের লোকজনসহ আত্মীয় স্বজন চড়াও হয়ে মিনির বাবার পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালিয়ে মারপিট করে।

এ ঘটনা নিরসনের জন্য পরদিন ভরতখালী হাট এলাকায় শালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে মিনির পরিবারসহ আত্মীয় স্বজন উপস্থিত হলে বরপক্ষের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে মিনির পরিবারের পক্ষে আসা ধনারুহা গ্রামের ফজলুর হক, ফরহাদ হোসেন, ফরিদ, ফারুক, ফজলা এবং বরপক্ষের পুটিমারি গ্রামের সোহাগের বাবা সাহেব মিয়া ও শাহজাহান আহত হয়। এদের মধ্যে ফরিদ ও ফজলার অবস্থা আশংকাজনক হলে তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৩ জনকে ফুলছড়ির উদাখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ২ জনকে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভার্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সাঘাটা থানায় উভপক্ষের মামলা দায়ের হয়েছে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়