পৌনে ১২ কোটি টাকা আত্মসাত মামলায় সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা জেলে

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২২, ১০:৫০ রাত
আপডেট: মে ১০, ২০২২, ১০:৫০ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

কোর্ট রিপোর্টার: প্রতারণাসহ দুর্নীতির মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজসে সোনালী ব্যাংক দুপচাঁচিয়া শাখা হতে  ১১ কোটি ৭৪ লাখ ৬১ হাজার ৮৬৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের মামলার আসামি ওই ব্যাংকের সাবেক ক্যাশ অফিসার (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) মোঃ ইউনুছ আলীর জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করে হাজতি পরোয়ানা মুলে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। তিনি কাহালু উপজেলার দুর্বাগাড়ীর মৃত ইসমাইল হোসেন আকন্দের ছেলে। আজ বগুড়ার স্পেশাল জজ মোঃ এমরান হোসেন চৌধুরী ওই আসামির জামিন বাতিল করে জেল হাজতে প্রেরনের আদেশ দেন।


দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের তৎকালীন উপ-সহকারী পরিচালক কর্তৃক দায়েরকৃত ও তদন্তকৃত এই মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে যে, ওই ব্যাংকের সাবেক ক্যাশ অফিসার (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) আসামি মোঃ ইউনুছ আলী সহ এই মামলার অভিযুক্ত ৪ আসামি পরস্পর যোগসাজসে প্রতারনা করে দুনীতির মাধ্যমে গত ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল হতে ২০০৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ভুয়া পেননারদের নামে পেনশন বিতরন দেখিয়ে পেনশন বিতরন দেখিয়ে সোনালী ব্যাংক বগুড়ার দুপচাঁচিয়া লিমিটেড শাখা হতে ১১ কোটি ৭৪ লাখ ৬১ হাজার ৮৬৩ টাকা আত্মসাত করেন। এই মামলার অভিযোগ পত্রে অভিযুক্ত অপর ৩ আসামিরা হলেন দুপচাঁচিয়া উপজেলা হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা (বর্তমানে বরখাস্তকৃত) মোঃ খলিলুর রহমান, ওই ব্যাংকের সাবেক ক্যাশ অফিসার (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুল বারী, সাবেক ক্যাশ অফিসার (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুস সালাম আকন্দ। মামলাটি পরিচালনা করেন দুদকের পিপি এড, এস এম আবুল কালাম আজাদ এবং আসামি পক্ষে এড, খায়রুল বাশার (নীলুজ)।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়