উদ্বোধনের আর মাত্র
০০
দিন
০০
ঘণ্টা
০০
মিনিট
০০
সেকেন্ড

পানি কমলেও কাটেনি দুর্ভোগ, বেড়েছে ভাঙন আতঙ্ক

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২২, ০৬:১৫ বিকাল
আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ০৬:১৫ বিকাল
আমাদেরকে ফলো করুন

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি: টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে রংপুরের গঙ্গাচড়ার তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। বুধবার বেলা ৩টায়  তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। উপজেলার এখনও ৬ ইউনিয়নের প্রায় ৭'শত পরিবার পানিবন্দি, সেই সঙ্গে বাড়ছে দুর্ভোগ। বন্যাকবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন, পানিবাহিত বিভিন্ন রোগবালাই ও শিশু-খাদ্যের সংকট।

সরজমিন বুধবার উপজেলার শংকরদহ, পশ্চিম ইচলি, বাগেরহাটে, চর চিলাখাল, বিনবিনা, আবুলিয়া গ্রামে দেখা যায়, ভাঙন হুমকির ফলে বাড়ি-ঘর সরিয়ে নিচ্ছে। প্রায় ৫০টি পরিবারের ভাঙন হুমকিতে থাকায় ঘর বাড়ি সরিয়ে নিয়ে বাঁধের উপর পলিথিনের ছাইনি টাঙিয়ে রাত্রি যাপন করছেন। লক্ষীটারী ইউনিয়নের পশ্চিম ইচলি গ্রামের বেগম বানু বলেন, এলা নদীর বান খুব ভয় হয়। গেলো বছর বানোত স্বামী নিখোঁজ হইছে, এলাও পাওয়া যায় নাই। এবারও নদীর পানি বাড়ছে, তাই  দুইটা ছাওয়া নিয়া বান্ধোধ আসি আছি। 

কোলকোন্দ ইউনিয়নের আবুলিয়া গ্রামের সাইদুল জানান, পানি কমেচোল একনা করি, এলাং বাড়ি থাকি পানি নামে নাই। পোকামাকোড়ের ভয়ে থাকা লাগে। পা সাদা সাদা হয়ে গেইছে পানিত থাকতে থাকতে। কোলকোন্দ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ জানান, তার ইউনিয়নের এখনো প্রায় সাড়ে ৪৫০ পরিবার পানিবন্দি রয়েছে।

লহ্মিটারী ইউনিয়নের চেয়াম্যান আব্দুল্লাহ্ আল হাদী জানান, তার ইউনিয়নে বাগেরহাট পূর্ব ইচলি, পশ্চিম ইচলি ও জয়রামওঝা গ্রামের ৫০০ পরিবার এখনও পানিবন্দি। নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় ৫০ পরিবার।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরশাদ উদ্দিন বলেন, ৭০০ থেকে ৮০০ পরিবার পানিবন্দি আছে। তবে নতুন করে কেউ পানিবন্দি হয়নি। আমরা উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে খোঁজ খবর নিচ্ছি এবং আমাদের শুকনো খাবার সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়