উদ্বোধনের আর মাত্র
০০
দিন
০০
ঘণ্টা
০০
মিনিট
০০
সেকেন্ড

আদমদীঘির রামপুরা স্কুল মাঠ পানিতে সয়লাব শিক্ষার্থিদের ভোগান্তি

প্রকাশিত: জুন ২২, ২০২২, ০৪:১৯ দুপুর
আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ০৪:১৯ দুপুর
আমাদেরকে ফলো করুন

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : পানি নিস্কাশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বগুড়ার আদমদীঘির রামপুরা সরকারি প্রাখমিক বিদ্যালয় মাঠ বৃষ্টির পানি জমে সয়লাব হয়েছে। ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থিদের বিদ্যালয়ে আসা, যাওয়া, খেলাধুলা ও চলাফেরায় ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। অবিলম্বে বিদ্যালয় মাঠে জমে থাকা পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা জরুরি বলে ভুক্তভোগি মহল মনে করেন।

আদমদীঘি উপজেলা সদর ইউনিয়নের রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯১৪ সালে স্থাপিত হয়। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ ৫জন শিক্ষক শিক্ষিকা ও দেড় শতাধিক ছাত্রছাত্রী রয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের খেলাধুলার জন্য রয়েছে একটি বড় মাঠ। এই মাঠে খেলাধুলা ছাড়াও নিয়মিত অ্যাসেম্বলি অনুষ্ঠিত হয়।

বর্ষার মৌসুমে এ মাঠের চারপাশে বৃষ্টির পানি জমে সম্পন্ন মাঠ সয়লাব হয়ে গেছে। পানি নিস্কাশনের কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পুরো বর্ষাকাল জুড়ে এই স্কুল মাঠে বর্তমানে হাটু পানি জমে রয়েছে। জমে যাওয়া পানিতে স্কুলে যাতায়াতের রাস্তাও নষ্ট হতে চলেছে। ছাত্রছাত্রীদের খেলাধুলার পরিবর্তে এখন এক ঝাঁক হাঁসকে খেলাধুলা করতে দেখা যায়। এই স্কুল মাঠ স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারনে বিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থিদের বিদ্যালয়ে আসা, যাওয়া, অ্যাসেম্বলি, খেলাধুলা ও চলাফেরায় ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। বিদ্যালয়ের বারান্দায় চলে অ্যাসেম্বলি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আফজাল হোসেন জানান, এ খেলার মাঠের পাশে পরিবারসহ দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছি। বর্ষার মৌসুমে মাঠে পানি জমে থাকায় যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ড্রেন বন্ধ থাকায় পুরো বর্ষার মৌসুম পানি জমে থাকে। মাঠের এমন দুর্দশা আগে ছিলনা। তিনি অবিলম্বে স্কুলের পানি নিস্কাশনের ড্রেন পুনরায় চালুর দাবী জানান। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তপতী রানী পাল জানান, বিদ্যালয়ের মাঠে জলাবদ্ধতা লেগেই থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থিরা এ্যাসিব্লি ও খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

স্কুলে আসা যাওয়াতে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শ্রী লোকনাথ জানান, আগে স্কুল মাঠের পানি নিস্কাশনে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ছিল সুন্দর। কয়েক বছর আগে গ্রামের কিছু ব্যক্তি মাটি ভরাট করে সেই ড্রেনটি বন্ধ করে দিয়েছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ড্রেনেজ ব্যবস্থা পুনরায় স্থায়ী ভাবে চালু করার জন্য জানানো হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার শামছুল ইসলাম দেওয়ান জানান, জলাবদ্ধতার বিষয়টি জানার পর তা লাঘবে কিছু অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। স্কুল কর্তপক্ষ জলাবদ্ধতা দুর করতে ব্যবস্থা নিবেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়